
বাংলা রিডার ডেস্ক
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে ধারাবাহিক হুমকি ও বিতর্কিত মন্তব্যের পর এবার কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে দ্বীপটিতে সামরিক বিমান মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড)–এর অধীনে একটি সামরিক উড়োজাহাজ পাঠানো হচ্ছে গ্রিনল্যান্ডে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে এবং গ্রিনল্যান্ড সরকারকেও পরিকল্পনা সম্পর্কে জানানো হয়েছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানায় ওয়াশিংটন।
নোরাড জানিয়েছে, শিগগিরই তাদের একটি সামরিক প্লেন গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে পৌঁছাবে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, এটি বহু আগে থেকেই পরিকল্পিত কার্যক্রমের অংশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নোরাড জানায়, তাদের বিমান যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ঘাঁটি থেকে পরিচালিত অন্যান্য বিমানের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ডেনমার্কের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বলেও উল্লেখ করা হয়।
তবে যুদ্ধবিশারদদের মতে, ওয়াশিংটন ও কোপেনহেগেনের মধ্যে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে চলমান কূটনৈতিক টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটেই এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেওয়ার পর স্বশাসিত এই ড্যানিশ ভূখণ্ডে আবারও সেনা মোতায়েন করেছে ডেনমার্ক। ড্যানিশ গণমাধ্যম ডিআর-এর বরাতে জানা গেছে, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রয়্যাল আর্মির প্রধান পিটার বয়েসেনের নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের কানগারলুসুয়াকে অবস্থান নেয়।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডে রুশ ও চীনা সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে এবং দ্বীপটি রক্ষায় ডেনমার্কের সক্ষমতা যথেষ্ট নয়। এই প্রেক্ষাপটে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তার স্বার্থে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে তিনি দাবি করেন।
সূত্র: এএফপি


