
বাংলা রিডার ডেস্ক:
যুদ্ধবিরতি পুনরায় কার্যকর রাখার ঘোষণা দিয়েও গাজায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় চালানো এই হামলায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আল-শিফা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এর আগে মঙ্গলবার রাতের হামলায় অন্তত ১০৪ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। ওই হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, একজন সেনা নিহত হওয়ার পর ‘প্রতিশোধমূলক’ পদক্ষেপ হিসেবে।
ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা এমন স্থানে হামলা চালিয়েছে যেখানে হামাসের অস্ত্র মজুত ছিল এবং তা তাদের সেনাদের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করেছিল। তবে হামাস জানিয়েছে, রাফাহে ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং তারা অস্ত্রবিরতির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস গাজার বেসামরিক জনগণের ওপর বিমান হামলার নিন্দা জানিয়ে শিশুদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার তুর্ক বলেছেন, বিপুল সংখ্যক হতাহতের এই ঘটনা “ভয়াবহ” এবং শান্তির প্রচেষ্টা যেন হাতছাড়া না হয়, সে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও একই আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বন্দিদের সঙ্গে রেডক্রস প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করেছে, যা হামাস ‘মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন’ বলে মন্তব্য করেছে।
মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়ার বিষয়ে এখনো আশাবাদী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, সর্বশেষ হামলা সত্ত্বেও অস্ত্রবিরতি “ঝুঁকির মুখে নয়।”


