নিবন্ধনের শেষ মুহূর্তে, এখনো হজযাত্রী নিবন্ধন মাত্র ১৫ শতাংশ

বাংলা রিডার ডেস্ক

২০২৬ সালের হজের নিবন্ধনের শেষ সময় মাত্র একদিন বাকি থাকলেও, এখন পর্যন্ত মোট কোটা অনুযায়ী মাত্র ১৫ শতাংশ হজযাত্রী নিবন্ধিত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে হজযাত্রী কোটার বড় একটি অংশ খালি থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হজ এজেন্সিগুলোকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গমনেচ্ছুদের সুবিধার্থে আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে।

হজ পোর্টালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মোট ১৮,৭৩৬ জন প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২,৮২৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫,৯০৮ জন। চলতি বছরে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত হজ কোটা ১,২৭,১৯৮ জন। সে হিসেবে নিবন্ধনের হার মাত্র ১৫ শতাংশ।

সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, হজের নিবন্ধন প্রক্রিয়া ১২ অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন করার কথা।

ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হজ এজেন্সিগুলোর কাছে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, এখনো ৩২৯টি হজ এজেন্সি কোনো হজযাত্রী নিবন্ধন করেনি। ‘হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন ২০২৬’ অনুযায়ী, প্রতিটি এজেন্সির ন্যূনতম ৪৬ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করানো বাধ্যতামূলক। যৌক্তিক কারণ ছাড়া যারা এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে চিঠিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আরও একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ৪৮টি এজেন্সি এখন পর্যন্ত কোনো প্রাক-নিবন্ধন কিংবা প্রাথমিক নিবন্ধনও করেনি।

হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, “অনেকেই মনে করছেন ওমরাহ করলেই হজের প্রয়োজন নেই—এটা একটি বড় ভুল ধারণা। এ কারণেও নিবন্ধনের হার কম। তবে আমরা আশা করছি, শেষ মুহূর্তে নিবন্ধনের হার বাড়বে।”

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগেই হজযাত্রীদের যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় হজে যেতে আগ্রহীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন শেষ করার আহ্বান জানিয়েছে এবং আজ শনিবার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

Recommended For You