২৬ মাস পর কবর থেকে সেলিম খান ও ছেলে শান্ত খানের মরদেহ উত্তোলন

বাংলা রিডার ডেস্ক
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণপিটুনিতে নিহত চাঁদপুরের আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খান ও তার ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের মরদেহ দাফনের প্রায় ২৬ মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

আদালতের নির্দেশে বুধবার (৭ অক্টোবর) তাদের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাদের মরদেহ দাফন করা হয়েছিল।

সকাল ৮টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন এলাকায় প্রথমে সেলিম খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। এরপর তার ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের মরদেহও উত্তোলন করা হয়। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয় হাশেম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

নিহত সেলিম খান চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থা ‘শাপলা মিডিয়া’র স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তার ছেলে শান্ত খানও একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

বিগত সরকারের আমলে চাঁদপুর পদ্মা-মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগ ছিল সেলিম খানের বিরুদ্ধে। এছাড়া চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণ ঘিরে অনিয়মের অভিযোগে দেশজুড়ে তিনি ‘বালুখেকো চেয়ারম্যান’ হিসেবে পরিচিতি পান। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাজস্ব ফাঁকির একাধিক মামলা এবং কারাবাসের ইতিহাসও রয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন সন্ধ্যায় এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করার সময় জনতার পিটুনিতে সেলিম খান ও তার ছেলে শান্ত খান নিহত হন।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলার তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আদালত কবর থেকে মরদেহ দুটি তুলে ময়নাতদন্ত করার নির্দেশ দেন।
কোটি ২০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার

বাংলা রিডার ডেস্ক

চাঁদপুর সদর উপজেলার নরুল্লাহপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। অভিযানে ২২ হাজার ১২০ পিস ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরুল্লাহপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরুল্লাহপুর এলাকার আবুল হাশেমের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি বিশেষ দল। এ সময় মাদক কারবারি ফারহান রানার বসবাসরত কক্ষের খাট ও একটি মোটরসাইকেলের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে কথিত মূলহোতা ফারহান রানা পালিয়ে যায়। তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, পলাতক ফারহান রানা ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

বিজ্ঞাপন

Recommended For You