ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন মোতায়েন

বাংলা রিডার ডেস্ক
বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) একটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন মোতায়েন করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে এই মিশন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের পলিটিক্যাল অ্যানালিস্ট মারসেল নেগি ও ইলেকশন অ্যানালিস্ট ভাসিল ভাসচেনকা। এ সময় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

ইইউ প্রতিনিধিরা জানান, গত ২৯ ডিসেম্বর ১১ সদস্যের বিশ্লেষক দলসহ প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষকের সমন্বয়ে মিশনের মূল দল ঢাকায় পৌঁছেছে। আগামী ১৭ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হবে, যারা নির্ধারিত এলাকায় নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে নিয়মিত প্রতিবেদন দেবেন।

এছাড়া নির্বাচনের আগের কয়েক দিনে ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা ও ফল তালিকাভুক্তকরণ পর্যবেক্ষণের জন্য আরও ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক মিশনে যুক্ত হবেন। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও অংশীদার দেশগুলোর পক্ষ থেকেও কয়েকজন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক অংশ নেবেন।

ইইউ প্রতিনিধিরা জানান, নির্ধারিত ও স্বচ্ছ পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করে মিশনটি পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্যভিত্তিক, সামগ্রিক ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ উপস্থাপন করবে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে এবং এ উপলক্ষে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবেদনটি মিশনের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনের পর সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছে একটি বিস্তারিত চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ করা হবে, যেখানে ভবিষ্যৎ নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এ সময় অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইলেকশন অবজারভেশন মিশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

Recommended For You