
বাংলা রিডার ডেস্ক
দণ্ডপ্রাপ্ত এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের গুরুতর লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শুক্রবার (২২ আগস্ট) এক সরকারি বিবৃতিতে গণমাধ্যমগুলোকে এ বিষয়ে সরাসরি সতর্ক করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যম আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শেখ হাসিনার একটি অডিও ভাষণ সম্প্রচার করেছে, যা মিথ্যা ও উসকানিমূলক। সরকার এ ধরনের প্রচারকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে গণ্য করছে এবং ভবিষ্যতে এমন প্রচার হলে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায়।
সরকার আরও জানায়, শেখ হাসিনা গত জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর গণহত্যার নির্দেশ দেন—এমন অভিযোগে অভিযুক্ত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। তাঁর রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ, এবং দলের পক্ষে যেকোনো প্রচারও আইনত দণ্ডনীয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের ভাষ্যমতে, এই সংকটময় মুহূর্তে বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়িয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা জনগণের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই গণমাধ্যমগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার বলছে, জাতি প্রথমবারের মতো একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের উসকানি বা সহিংসতা বরদাশত করা হবে না।


