হামাস: ধ্বংসস্তূপ সরানোর যন্ত্রপাতি না থাকায় বাকি জিম্মিদের লাশ ফেরত দিতে পারছি না

বাংলা রিডার ডেস্ক

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপ সরানোর উপযোগী বিশেষ যন্ত্রপাতি না থাকায় তারা এখনই বাকি জিম্মিদের মৃতদেহ গাজা থেকে ফেরত দিতে পারছে না। এই তথ্যটি ইহুদিবাদী সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল উদ্ধৃত করে প্রকাশ করেছে।

হামাসের বক্তব্য অনুযায়ী, গাজায় অনেক মৃতদেহ ইসরায়েলের আক্রমণে ধ্বংসপ্রাপ্ত সুড়ঙ্গের ভেতর বা বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। এসব দেহ উদ্ধারের জন্য বিশেষ যন্ত্রপাতি প্রয়োজন, তবে তারা দাবি করেছে—ইসরায়েল ওই যন্ত্রপাতি গাজায় প্রবেশ করতে দিচ্ছে না, তাই মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ চলমান নেই।

সশস্ত্র সংগঠনটি জোর দিয়ে বলেছে যে তারা গাজা চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং জিম্মিদের মৃতদেহ হস্তান্তরে আগ্রহী; কিন্তু দেরির দায় তারা ইসরায়েলের ওপর চাপিয়েছে।

গত সোমবার হামাস ২০ জন জীবিত জিম্মি এবং ৪ জন জিম্মির লাশ ফেরত দিয়েছিল। তবে রেডক্রস জানায়, ইসরায়েলে আটক অবস্থায় মারা যাওয়া ৪৫ জন ফিলিস্তিনির দেহও পরে গাজায় পাঠানো হয়েছে।

সংবাদটিতে বলা হয়েছে, গাজা যুদ্ধবিরতি বা শান্তি বাস্তবায়নের একটি অংশ হিসেবে—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শান্তি পরিকল্পনা’র প্রথম ধাপ কার্যকর করার বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছিল এবং গত সোমবার দুপুরের মধ্যে গাজার মধ্যে থাকা অবশিষ্ট ৪৮ জন (জীবিত ও মৃত) ইসরায়েলি জিম্মিকে হস্তান্তর করা হয়—to be completed. (বর্ণিত ব্যবস্থাপনার নির্ধারিত সময়সীমা ও ফলাফল নিয়ে উভয় পক্ষের অবস্থান ভিন্ন রয়ে গেছে।)

ইসরায়েলের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, হামাস নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি জিম্মিদের লাশ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ার পর তারা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসঙ্গে মিসরের সঙ্গে রাফা সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেওয়ার পরিকল্পনাও পেছানো হয়েছে—এই সিদ্ধান্তও সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

Recommended For You