
বাংলা রিডার ডেস্ক:
গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি বিনিময় সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছে ইসরায়েল। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। আশা করা হচ্ছে, শনিবার (১১ অক্টোবর) ভোর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনায় হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তির পাশাপাশি, ইসরায়েলের জেল থেকে ১,৭০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া গাজার নির্দিষ্ট কিছু এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং প্রতিদিন ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।
নেতানিয়াহু এই চুক্তিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ বলে উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
চুক্তির আওতায় থাকা অন্যান্য বিষয়গুলো হলো—দুপক্ষের কাছে থাকা মৃতদেহ বিনিময়, গাজায় বহুজাতিক সেনা পর্যবেক্ষকদের মোতায়েন, যারা শুধু, যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করবে, ধাপে ধাপে সংঘর্ষ কমিয়ে আনা।
তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মধ্যেও শুক্রবার খান ইউনিস, নেটজারিম করিডোর, আল-সাব্রা ও তাল আল-হাওয়া এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা গোলাবর্ষণের কথাও জানিয়েছেন।
বিবিসি ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে গাজা শহরের আকাশে বিস্ফোরণের আলো দেখা গেছে।
এই চুক্তির আওতায় ৪৮ জন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে, যাদের মধ্যে ২০ জন জীবিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হামাসের নির্বাসিত গাজা নেতা খলিল আল-হাইয়া বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে তারা নিশ্চিত হয়েছেন—“এই যুদ্ধ শেষ হয়েছে।”


