
বাংলা রিডার ডেস্ক
কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন ফিলিস্তিনের সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসের সদস্য, এবং অপরজন কাতারের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বলে জানিয়েছে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। হামলায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল দোহার উত্তরাঞ্চলের একটি আবাসিক ভবন, যেখানে হামাসের শীর্ষ নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে বৈঠকে অংশ নিচ্ছিলেন। ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হামাসের মুখপাত্র খলিল আল হায়া ও পশ্চিম তীর শাখার নেতা জাহের জাবারিনকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালায়।
হামাসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ইসরায়েল আমাদের আলোচক প্রতিনিধিদের হত্যার চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের শীর্ষ নেতৃত্ব নিরাপদে আছেন।” বিবৃতিতে এ হামলাকে “ঘৃণ্য অপরাধ” এবং “আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন” বলে উল্লেখ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় বিকেলে কমপক্ষে ৮টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হামলায় অংশ নেয় ইসরায়েলের ১৫টি যুদ্ধবিমান, এবং তা চলে মাত্র ১০ মিনিট।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে বলেন, “যারা ৭ অক্টোবরের হামলার পরিকল্পনায় জড়িত ছিল, তাদের লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এটি ন্যায্য প্রতিক্রিয়া।”
অন্যদিকে কাতার সরকার এ হামলাকে “কাপুরুষোচিত ও আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী” উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
এদিকে হামাসের দাবি, “এই হামলা প্রমাণ করে যে নেতানিয়াহুর সরকার প্রকৃত কোনো শান্তি চুক্তিতে আগ্রহী নয়, বরং শান্তি প্রতিষ্ঠার সকল প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিতে চায়।”
সূত্র: বিবিসি


