টানা তৃতীয় বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এমবাপ্পের ফ্রান্স

বাংলা রিডার ডেস্ক
বিশ্বকাপে ব্যর্থতার স্বাদ এখনো পাননি ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপ অভিষেকেই পেলের রেকর্ড ভেঙে আলোচনায় আসেন তিনি। এরপর সময়ের সঙ্গে নিজেকে নিয়ে গেছেন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা উচ্চতায়।

এ নিয়ে এমবাপ্পের তৃতীয় বিশ্বকাপ। আর তিন আসরেই তার নেতৃত্বে ও দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফ্রান্স জায়গা করে নিয়েছে সেমিফাইনালে। ধারাবাহিক এই সাফল্যে আরও একবার নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বৃহস্পতিবার উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ২-০ গোলে জিতল দিদিয়ে দেশমের দল। তাদের দ্বিতীয় গোলটি করেন উসমান দেম্বেলে।

ম্যাচের শুরু থেকে এমবাপ্পেদের দাপট ছিল স্পষ্ট। রক্ষণ সামলাতে মরিয়া আফ্রিকার দল মরক্কো ২৮ মিনিটে পেনাল্টি দিয়ে দেয়। এমবাপ্পেকে থামাতে বক্সে ফাউল করে বসেন মাজরাউই। পেনাল্টির বাঁশি বাজানো রেফারিকে ভিএআর চেক করে পাকা সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

স্পটকিক থেকে বিশ্বকাপে নিজের গোল সংখ্যা বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ হারান এমবাপ্পে।তবে ৬০ মিনিটে আর এমবাপ্পেকে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। শরীরের ঝাঁকুনিতে বক্স থাকা মরক্কান ফুটবলাররা অল্প জায়গা ছাড়তে বাধ্য করেন। নিঁখুত শট নিয়ে বাঁ প্রান্ত জালে বল পাঠিয়ে দেন এই রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার।

.
মরক্কোর গোলের মুখ খোলা ফ্রান্স দ্বিতীয় গোলটি করতে বেশিক্ষণ সময় নেননি। বরং ছয় মিনিট পরই উসমান ডেম্বেলে দারুণ এক ফিনিশিংয়ে জালে বল পাঠিয়ে দেন। গোলরক্ষক বনোর শটটি ফেরানোর সুযোগ ছিল। তিনি লাফিয়েও ছিলেন। কিন্তু কাজ হয়নি। ফ্রান্স ২-০ গোলে লিড নেওয়ার পর বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন আক্রমণের শিকার কিলিয়ান এমবাপ্পে।

এই জয়ে টুর্নামেন্টে টানা ছয় ম্যাচ জিতল ফ্রান্স। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে নকআউট—সব মিলিয়ে দারুণ ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে দেশমের দল। শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়েকে হারানোর পর এবার মরক্কোকেও বিদায় করে শেষ চারে পৌঁছাল তারা।

 

বিজ্ঞাপন

Recommended For You