চাঁদপুরে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৩

বাংলা রিডার ডেস্ক 

চাঁদপুর মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে যাত্রীবাহী দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ঝালকাঠিগামী এম.ভি অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সঙ্গে চাঁদপুর থেকে ঢাকাগামী এম.ভি জাকির সম্রাট লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহত চারজনের মধ্যে রয়েছেন— ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার কয়য়ারচর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস মাঝির ছেলে মো. মিন্টু (২৮), একই উপজেলার ভরতকাঠি গ্রামের শামসুল হক হাওলাদারের ছেলে মহিন হাওলাদার (২৫), পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার বাহের গলাজিয়া গ্রামের খলিলুর রহমান গাজীর ছেলে মো. সোহেল (৪০) এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রূপসি গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. মনিরুজ্জামান (৪০)।

এদিকে একই রাতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী এম. খান-৭ লঞ্চও দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। লঞ্চটির সুপারভাইজার শাহাদাৎ হোসেন জানান, প্রায় ৩০০ যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা করছিল। রাত আনুমানিক ১২টার দিকে চাঁদপুরের মেঘনা নদীর আমিরাবাদ এলাকায় চাঁদপুর থেকে ঢাকাগামী ঈগল-৪ যাত্রীবাহী লঞ্চটি এম খান-৭ লঞ্চের পাশে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চটির ট্যাক্সিন ও ওভারফ্লো পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর এম খান-৭ লঞ্চটি যাত্রীসহ বরিশাল নদীবন্দরে নোঙর করা হয়। লঞ্চটির কেরানি অমিত জানান, বর্তমানে বন্দরে লঞ্চটির মেরামত কাজ চলছে। অপর লঞ্চ ঈগল-৪–এর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

চাঁদপুর সদর নৌ থানার ওসি এ কে এম ইকবাল জানান, মেঘনা নদীর দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন। এরই মধ্যে একটি লঞ্চ ঝালকাঠিতে জব্দ করা হয়েছে। অন্য একটি লঞ্চ আহত ও নিহত যাত্রীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে চলে গেছে।

বিজ্ঞাপন

Recommended For You