
বাংলা রিডার ডেস্ক
চাঁদপুর শহরের খাদ্যপ্রেমীদের জন্য নতুন স্বাদের ঠিকানা হয়ে উঠেছে সম্প্রতি উদ্বোধিত রেস্টুরেন্ট ‘কাচ্চি ডাইন’। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। শুধু শহরের মানুষ নয়, আশপাশের জেলা ও দূর-দূরান্ত থেকেও ভোজনরসিকরা আসেন আসল ও ঐতিহ্যবাহী কাচ্চির স্বাদ নিতে।
রেস্টুরেন্টটির মনোরম পরিবেশ, দ্রুত সার্ভিস এবং সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে পরিবার থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী সবাই সমানভাবে ভিড় জমাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) কালিবাড়ি মোড়স্থ পৌর নিউ মার্কেটের এবি ব্যাংকের তৃতীয় তলায় কোরআন শিক্ষার্থীদের দোয়ার মধ্য দিয়ে কাচ্চি ডাইন চাঁদপুর শাখার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

ভোজনরসিকরা জানান, “অনেক জায়গায় কাচ্চি খেয়েছি, কিন্তু কাচ্চি ডাইনের স্বাদ আলাদা। মাংসের কোমলতা এবং মসলার ভারসাম্য যেন মন ছুঁয়ে যায়।” রেস্টুরেন্টের কাচ্চিতে মসলার সঠিক সমন্বয়, নরম মাংস এবং সুগন্ধি ভাত একেবারে ঐতিহ্যবাহী ঢাকার কাচ্চির স্বাদ মনে করিয়ে দেয়।
স্থানীয়রা মনে করছেন, নতুন এই শাখা চাঁদপুরের খাবার সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। নান্দনিক পরিবেশে মানসম্মত কাচ্চি উপভোগের সুযোগ পাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ তৈরি হয়েছে। শহরের খাদ্যপ্রেমীরা বলছেন, এটি চাঁদপুরে আধুনিক খাদ্যসেবার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করেছে।
রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নরম মাংস, সুগন্ধি বাসমতী চাল এবং ঐতিহ্যবাহী মসলা দিয়ে তৈরি বিশেষ কাচ্চি ইতিমধ্যেই শহরের কাচ্চিপ্রেমীদের মধ্যে জনপ্রিয়। প্রতিদিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়। মান বজায় রাখা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টি তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
চাঁদপুর শাখার পরিচালক মোহাম্মদ ইয়ামিন বলেন, “চাঁদপুরবাসীকে আসল বাসমতী কাচ্চির স্বাদ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই যাত্রা শুরু। আমরা কখনো কোয়ালিটির সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করব না।” তিনি আরও জানান, এখানে বাসমতী কাচ্চি, কাচ্চি খাদক, প্লেইন পোলাও, মুরগির রোস্ট, খাসি-কাবাব, মাটন চুইঝাল, বাদাম শরবত, বোরহানি, ফিরনি, চাটনি, জর্দা এবং কোমল পানীয় পাওয়া যাবে।
উদ্বোধনী বিশেষ অফার:
২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫০০ টাকা বা তার বেশি টাকার খাবার নিলে ক্রেতারা পাবেন একটি র্যাফেল টোকেন। ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে র্যাফেল ড্র।
পুরস্কারসমূহ:
১ম: মোটরসাইকেল
২য়: ফ্রিজ
৩য়: টিভি
৪র্থ: স্মার্টফোন
৫ম: চার্জার ফ্যান
রেস্টুরেন্টের সাফল্য কেবল ভালো খাবারের কারণে নয়, বরং গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা দেওয়ার কারণে। চাঁদপুরের খাদ্যপ্রেমীরা ইতিমধ্যেই এটিকে তাদের প্রিয় খাবারের গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন।



