যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৫ ফিলিস্তিনি নিহত

বাংলা রিডার ডেস্ক
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) গাজা সিটির শুজাইয়া এলাকায় এই হামলা চালানো হয়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিরা তাদের সৈন্যদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলোর দাবি, ওই এলাকায় বেসামরিক নাগরিকদের চলাচল ছিল এবং সেখানে নির্বিচারে গোলাবর্ষণ চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।

এছাড়া গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসে ইসরায়েলি গুলিতে আরও দুই ফিলিস্তিনি আহত হন। স্থানীয় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্স জানিয়েছে, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিন সকালে উত্তর গাজার জাবালিয়া এলাকায় তীব্র সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, সেখানে ফিলিস্তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুগত বাহিনী ও ইসরায়েল-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গুলি বিনিময় চলছে।

অন্যদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, রামাল্লাহ, এল-বিরেহ ও হেবরনসহ বিভিন্ন শহরে রাতভর অভিযান পরিচালিত হয়।

রামাল্লাহর আইন মুনজিদ এলাকায় নির্বাসিত সাবেক বন্দি ইসাম আল-ফরুখের বাড়িতে হানা দিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে সেনারা। দেইর ইবজি গ্রামে সাতটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাসিন্দাদের মাঠে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একইভাবে আইন আরিক ও নিলিন শহরেও অভিযান চলে।

মঙ্গলবার ভোরে বেইতিন শহরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। হেবরনের ইধনা ও আল-কৌম শহরে সেনারা দুটি বাড়ি দখল করে সেগুলোকে সামরিক ব্যারাকে পরিণত করেছে।

এর আগে তূলকারেম ও পূর্ব জেরুজালেমের আল-ইসসাওয়িয়া এলাকায়ও অভিযান চালিয়ে গুলিবর্ষণ করা হয়, যাতে দুজন আহত ও কয়েকজনকে আটক করা হয়।

এই সবকিছু ঘটছে এমন এক সময়ে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এমনকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েল সফরও করেছেন।

বিজ্ঞাপন

Recommended For You