
বাংলা রিডার ডেস্ক
গাজায় একদিনে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৯১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শনিবারের এই ভয়াবহ হামলায় আবাসিক এলাকা, স্কুল, তাঁবু এবং শরণার্থী বহনকারী একটি ট্রাক লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করা হয়।
স্থানীয় চিকিৎসকদের মতে, নিহতদের মধ্যে গাজার শীর্ষ হাসপাতাল আল-শিফা’র পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আবু সালমিয়ার পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। তাঁর ভাই, ভাবি ও তাদের সন্তানরা এই হামলায় নিহত হন। ডা. সালমিয়া বলেন, “আমার ভাই ও ভাবির মরদেহ দেখে আমি ভেঙে পড়েছি। আমাদের প্রিয়জনদের হয় মৃত, নয়তো আহত অবস্থায় গ্রহণ করতে হচ্ছে।”
ভয়াবহ পরিস্থিতি গাজা সিটিতে
ইসরায়েলি বাহিনী গাজা সিটি দখলের লক্ষ্যে বিমান ও স্থল থেকে টানা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। গাজার মানুষেরা বাধ্য হয়ে দক্ষিণের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পালিয়ে যাচ্ছে। গাজা সিভিল ডিফেন্স জানায়, আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ গাজা ছেড়েছে।
আজ-জাওয়াইদা থেকে সাংবাদিক হিন্দ খোদারি জানান, ইসরায়েল বিস্ফোরকবাহী রোবট ও ড্রোন দিয়ে আক্রমণ চালাচ্ছে। প্রত্যেক বিস্ফোরণ যেন ভূমিকম্পের মতো মনে হচ্ছে। উদ্ধারকারীরা অনেক জায়গায় পৌঁছাতে পারছেন না।
শরণার্থী ট্রাকে হামলা
নাসর এলাকায় একটি ট্রাকে পালিয়ে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলায় অন্তত ৪ জন নিহত হন। রাস্তার ওপর ছড়িয়ে থাকা মরদেহের দৃশ্য ছিল হৃদয়বিদারক।
মানবিক সংকট চরমে
ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসের প্রতিনিধি মিখাইল ফোতিয়াদিস বলেন, দক্ষিণের আল-মাওয়াসি এলাকায় পরিস্থিতি ভয়াবহ। তিনি জানান, “মানুষ তাঁবু খাটানোর জায়গা খুঁজছে, কিন্তু উপকরণ নেই। কেউ কেউ বালুর ওপর তাবু দিয়েছে, যেখানে পানি, বিদ্যুৎ কিছুই নেই।” এর ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
হামাসের দাবি ও বন্দিদের অবস্থা
হামাস জানায়, গাজায় থাকা ৪৮ জন ইসরায়েলি বন্দি এখন বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে আছে, এবং চলমান হামলায় তাদের জীবন হুমকির মুখে। কাসাম ব্রিগেডস একসঙ্গে বন্দিদের একটি ছবি প্রকাশ করে এটিকে ‘বিদায়ী ছবি’ বলে উল্লেখ করেছে।
ইসরায়েলের ভেতরে বিক্ষোভ
ইসরায়েলের তেল আবিবে হাজারো মানুষ যুদ্ধ বন্ধ ও বন্দিদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেয়। তারা নেতানিয়াহুর গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৯১ জন নিহত, শরণার্থী বহনকারী ট্রাকে হামলা
বাংলা রিডার ডেস্ক
গাজায় একদিনে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৯১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শনিবারের এই ভয়াবহ হামলায় আবাসিক এলাকা, স্কুল, তাঁবু এবং শরণার্থী বহনকারী একটি ট্রাক লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করা হয়।
স্থানীয় চিকিৎসকদের মতে, নিহতদের মধ্যে গাজার শীর্ষ হাসপাতাল আল-শিফা’র পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আবু সালমিয়ার পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। তাঁর ভাই, ভাবি ও তাদের সন্তানরা এই হামলায় নিহত হন। ডা. সালমিয়া বলেন, “আমার ভাই ও ভাবির মরদেহ দেখে আমি ভেঙে পড়েছি। আমাদের প্রিয়জনদের হয় মৃত, নয়তো আহত অবস্থায় গ্রহণ করতে হচ্ছে।”
ভয়াবহ পরিস্থিতি গাজা সিটিতে
ইসরায়েলি বাহিনী গাজা সিটি দখলের লক্ষ্যে বিমান ও স্থল থেকে টানা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। গাজার মানুষেরা বাধ্য হয়ে দক্ষিণের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পালিয়ে যাচ্ছে। গাজা সিভিল ডিফেন্স জানায়, আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ গাজা ছেড়েছে।
আজ-জাওয়াইদা থেকে সাংবাদিক হিন্দ খোদারি জানান, ইসরায়েল বিস্ফোরকবাহী রোবট ও ড্রোন দিয়ে আক্রমণ চালাচ্ছে। প্রত্যেক বিস্ফোরণ যেন ভূমিকম্পের মতো মনে হচ্ছে। উদ্ধারকারীরা অনেক জায়গায় পৌঁছাতে পারছেন না।
শরণার্থী ট্রাকে হামলা
নাসর এলাকায় একটি ট্রাকে পালিয়ে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলায় অন্তত ৪ জন নিহত হন। রাস্তার ওপর ছড়িয়ে থাকা মরদেহের দৃশ্য ছিল হৃদয়বিদারক।
মানবিক সংকট চরমে
ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসের প্রতিনিধি মিখাইল ফোতিয়াদিস বলেন, দক্ষিণের আল-মাওয়াসি এলাকায় পরিস্থিতি ভয়াবহ। তিনি জানান, “মানুষ তাঁবু খাটানোর জায়গা খুঁজছে, কিন্তু উপকরণ নেই। কেউ কেউ বালুর ওপর তাবু দিয়েছে, যেখানে পানি, বিদ্যুৎ কিছুই নেই।” এর ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
হামাসের দাবি ও বন্দিদের অবস্থা
হামাস জানায়, গাজায় থাকা ৪৮ জন ইসরায়েলি বন্দি এখন বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে আছে, এবং চলমান হামলায় তাদের জীবন হুমকির মুখে। কাসাম ব্রিগেডস একসঙ্গে বন্দিদের একটি ছবি প্রকাশ করে এটিকে ‘বিদায়ী ছবি’ বলে উল্লেখ করেছে।
ইসরায়েলের ভেতরে বিক্ষোভ
ইসরায়েলের তেল আবিবে হাজারো মানুষ যুদ্ধ বন্ধ ও বন্দিদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেয়। তারা নেতানিয়াহুর সরকারের প্রতি চুক্তিতে আসার আহ্বান জানায় এবং যুক্তরাষ্ট্রকেও চাপ প্রয়োগের অনুরোধ করে।
আল জাজিরার হামদা সালহুত জানান, যদিও এসব বিক্ষোভ তীব্র হচ্ছে, তবু নেতানিয়াহুর সরকার সাড়া দিচ্ছে না। উল্টো ডানপন্থি জোট এসব প্রতিবাদকে ‘ইসরায়েলের শত্রুদের সহায়তা’ বলে অভিহিত করছে।
বন্দিদের পরিবারগুলো বলছে, সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে তাদের প্রিয়জনদের জীবন গভীর সংকটে পড়বে। প্রতিবাদের বার্তা একটাই—“এখনই থামুন, যথেষ্ট হয়েছে!” প্রতি চুক্তিতে আসার আহ্বান জানায় এবং যুক্তরাষ্ট্রকেও চাপ প্রয়োগের অনুরোধ করে।
আল জাজিরার হামদা সালহুত জানান, যদিও এসব বিক্ষোভ তীব্র হচ্ছে, তবু নেতানিয়াহুর সরকার সাড়া দিচ্ছে না। উল্টো ডানপন্থি জোট এসব প্রতিবাদকে ‘ইসরায়েলের শত্রুদের সহায়তা’ বলে অভিহিত করছে।
বন্দিদের পরিবারগুলো বলছে, সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে তাদের প্রিয়জনদের জীবন গভীর সংকটে পড়বে। প্রতিবাদের বার্তা একটাই—“এখনই থামুন, যথেষ্ট হয়েছে!”


