ফেব্রুয়ারির নির্বাচন—হবে তো?

আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা এখন খুবই অনিশ্চিত।

পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে কেউ কেউ পরিকল্পিতভাবে নানা অজুহাত তৈরি করে নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করছে।

“জুলাই সনদ” বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে—নির্বাচনের আগে গণভোট, না কি নির্বাচনের দিন একসঙ্গে গণভোট—এই প্রশ্নেই জটিলতা বেড়েছে।

এছাড়া আরও দুটি বিষয় নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে “সংবিধান সংস্কার পরিষদ” হিসেবে কাজ করবেন।

কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ক্ষমতা শুধু জাতীয় সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পর্যন্ত সীমিত। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের এখতিয়ার তাদের নেই।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, এই পরিষদ যদি ২৭০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ না করে, তাহলে সংস্কার বিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হবে—যা অনেকেই বলছেন “হাস্যকর ও গণতান্ত্রিক রীতির পরিপন্থী।”

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন—জুলাই সনদের সুপারিশগুলো একপেশে এবং জাতির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তার ভাষায়, “জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট অযৌক্তিক ও অবিবেচনাপ্রসূত।”

সব মিলিয়ে, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দিন যত যাচ্ছে, অনিশ্চয়তার কুয়াশা ততই ঘন হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এসেছে এনসিপি নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর ভবিষ্যদ্বাণী— “ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে না।”

তখন অনেকে ভেবেছিলেন, এটা নিছক রাজনৈতিক মন্তব্য।
কিন্তু এখন বাস্তবতা যেন তার কথাকেই সত্য প্রমাণ করছে।

প্রশ্নটা একটাই—ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ক্যালেন্ডারে আছে, কিন্তু বাস্তবে কি এখনো অনেক দূরের আলো? নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর ভবিষ্যদ্বাণী কি সত্যি হতে চলেছে?

সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন এর ফেসবুক পেজ থেকে

 

বিজ্ঞাপন

Recommended For You