চাঁদপুর–৩ বদলে যাওয়া মাঠে নতুন লড়াই

সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, চাঁদপুর–৩ আসনের রাজনীতি ততই গোলমাল পাকাচ্ছে। ঢাকায় থাকি, কিন্তু আমার শিকড় চাঁদপুরে। সেখানেই আছে আমার কৃষি প্রকল্প আর পরিবেশবান্ধব ব্লক কারখানা।
এ কারণে প্রায়ই গ্রামের মানুষদের সঙ্গে দেখা হয় — চা দোকানে, হাটে, মসজিদের বারান্দায়, কিংবা রাস্তার পাশে বসে।
সবার আলোচনায় এখন একটাই বিষয়: “এবার চাঁদপুর–৩ আসনে কে বিএনপি’র প্রার্থী?”

যদি নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে হয়, তাহলে ধানের শীষের প্রার্থী জয়ী হবে—এ বিষয়ে কারও সন্দেহ নেই। কিন্তু ধানের শীষের প্রতীকটি কার হাতে উঠবে—সংগ্রামী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক? না কি প্রবাসী ব্যবসায়ী আজম খান? এই প্রশ্নটাই এখন চাঁদপুরের হাটে, চায়ের কাপে।

চাঁদপুর–৩ (সদর–হাইমচর) আসনটি পুরো জেলার মধ্যে ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত। যা বরাবরই বিএনপির ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি। তবে দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ এখানে সংগঠনগত প্রভাব ধরে রেখেছিল—আর সেই শক্তির মূল ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী/শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। যদিও নিজ দলের প্রভাবশালী নেতা কর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন বিতর্কিত।

গত দেড় দশক চাঁদপুরে আওয়ামী লীগের প্রভাব ছিল প্রবল। এর পেছনে ডা. দীপু মনির ব্যক্তিগত সাংগঠনিক দক্ষতা যেমন ভূমিকা রেখেছে, তেমনি তাঁর চারপাশে তৈরি হওয়া এক দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটই শেষ পর্যন্ত জনঅসন্তোষের জন্ম দেয়।

দখল, অনিয়ম, চাঁদাবাজি ও লুটপাটের অভিযোগে স্থানীয় মানুষ এবং তৃণমূল নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ জমে ওঠে। জেলা আওয়ামী লীগ এর বড় অংশই তার বিরোধিতা শুরু করে। সরকার পতনের পর শেষ পর্যন্ত ডা. দীপু মনি নিজেই কারাগারে।

ডা. দীপু মনির অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেটওয়ার্ক এখন কার্যত ভেঙে পড়েছে। রাজনৈতিক কার্যক্রম নেই বললেই চলে। অধিকাংশ নেতাকর্মীই পলাতক কেউ দেশে কেউ বিদেশে। বিভিন্ন মামলার আসামি। কেউ কেউ অর্থের বিনিময়ে আছেন রাজনৈতিক শেল্টারে।এলাকায় ভোট ব্যাংক আছে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের এমন অনেক ছোট বড় নেতা, ইউনিয়ন পর্যায়ের চেয়ারম্যানরা বিএনপি এবং জামায়াতের আশীর্বাদে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছেন।

সার্বিক পরিস্থিতিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে নির্দ্বিধায় বলা যায় চাঁদপুর-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যে প্রার্থী দাঁড়াক না কেন তিনি জয়ী হবেন‌। প্রায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীনভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন।

কেন এই আগাম বিশ্বাস? কারণ একদিকে আওয়ামী লীগ না থাকায় মাঠ দখলে থাকবে বিএনপি। সারাদেশে বিএনপি’র সাংগঠনিক শক্তি এখন ইতিবাচক। এই আসনে কেন্দ্রীয়ভাবে যাকেই প্রার্থী করা হোক না কেন তিনি জয়ী হবেন।
এর পিছনে কিন্তু ভিন্ন কাহিনী আছে। চাঁদপুরে বিএনপিকে এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ করার পিছনে একজন ব্যক্তির নাম বারবার শোনা যাচ্ছে।

ডা. দীপু মনির দুঃশাসনের মোকাবেলা করে একের পর এক মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার। বাড়ি–ঘর ভাঙচুর, ব্যবসা লুট, অগ্নিসংযোগ—তিনি মাঠ ছাড়েননি। তৃণমূল তাঁকে “ত্যাগের প্রতীক” বলে জানে। জেলা বিএনপি’র সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তৃণমূলের ভাষায়—“মানিক ভাই না থাকলে দল বাঁচত না।”

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনী আসনে বিএনপি’র প্রার্থী কে? তা এখনো অজানা। গুজব আর বিভ্রান্তি ডালপালা ছড়াচ্ছে। যার কারণে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অপরদিকে বিএনপি’র শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সুপরিকল্পিতভাবে, কৌশলে জনগণের আস্থা অর্জন করে নিচ্ছে। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল ও তাদের সমর্থকদের কট্টর অবস্থান রয়েছে। দুর্নীতি অনিয়মে জড়িত না হওয়াসহ তাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল। ইসলামী আদর্শের দল হিসেবে চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাদের সমর্থন রয়েছে।

তবে এককভাবে বিএনপিকে ঠেকানোর ক্ষমতা জামাত ইসলামের নেই। কাজেই নির্দ্বিধায় বলা যায় চাঁদপুর-৩ নির্বাচনী আসনে বিএনপির প্রার্থী জিতবে। –এখন প্রশ্ন হচ্ছে বিএনপি’র প্রার্থী কে ?

কিছুদিন আগেও মানুষ মনে করত শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু এখন সামনে এসেছেন আজম খান নামে একজন কেন্দ্রীয় নেতা, যিনি সাউথ আফ্রিকায় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। বিএনপির মাঠে দুই নাম: মানিক ও আজম খান।

সরকার পতনের পর, আগস্টের পর থেকে চাঁদপুরের রাজনীতি অনেকটাই উলট–পালট হয়েছে। বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে—তারা আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের পলাতক মামলায় থাকা নেতাকর্মীদের কাছ থেকে বিপুল অংকের অর্থ নিয়ে অনৈতিক ‘সেল্টার’ দিয়েছেন। তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ দখল নিয়েছেন। এমন গুজব ও কিছু সত্য ঘটনা স্থানীয় মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

যদিও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এসবের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি দুর্নীতি অনিয়ম এবং মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। কাউকেই তিনি প্রশ্রয় দিচ্ছেন না।

আরেকটি বড় বিষয় হচ্ছে, চাঁদপুরের নির্বাচনী এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের বিশাল সমর্থন রয়েছে। পূজা-পার্বণ থেকে শুরু করে হিন্দু জনগোষ্ঠীর বিপদে-আপদে তাদের পাশে থাকেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। তিনি চাঁদপুরের সুশীল সমাজ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোকে ঐক্যবদ্ধ রেখে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। সংখ্যালঘুদের জানমালের নিরাপত্তায় তিনি কঠোর অবস্থানে ছিলেন।

চাঁদপুরের যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা যেভাবে কাজ করছে তার প্রশংসা না করে উপায় নেই।
অধিকাংশ তৃণমূল নেতাকর্মী মনে করেন—“মানিক ভাই-ই আমাদের নেতা, তিনি দাঁড়ালে অন্যদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।”

শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি। দলের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা। শুধু বিএনপি নয় সাধারণ জনগণের মাঝে মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং গ্রহণযোগ্যতা।

আওয়ামী লীগ সরকারের দমন–পীড়নের সময় মানিক একাধিক মামলা, হামলা ও কারাবাসের শিকার হয়েছেন। কয়েকবার তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাসভবন ভাঙচুর হামলা এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
তবু মাঠ ছাড়েননি — গ্রাম থেকে শহর, আন্দোলন থেকে সংগঠন, তিনি ছিলেন সবখানে। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি এখন ত্যাগী ও সংগ্রামী নেতার প্রতীক।

অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসী ব্যবসায়ী আজম খান দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। তবে বিএনপির দুঃসময়ে তিনি প্রবাস থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অর্থসহায়তা করে দলের শীর্ষ নেতাদের আস্থা অর্জন করেছেন বলে তার সমর্থকরা প্রচার করছেন। শোনা যায়, তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ।
এখন সাউথ আফ্রিকার ব্যবসায়ী আজম খান দেশে ফিরে নির্বাচনকে সামনে রেখে সক্রিয়। আর তার অনুসারীরা মাঠে নামতে শুরু করেছে। তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ করছেন আবার কিছুদিন পর বিদেশে চলে যাচ্ছেন।

সমস্যা হচ্ছে আজম খান নির্বাচনী এলাকায় সময় দিতে পারছেন না। তিনি বছরের বেশিরভাগ সময়ই থাকছেন সাউথ আফ্রিকায়। এখন এলাকায় এসে বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

কিন্তু জেলা বিএনপি বা ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতাকর্মীদের কে তিনি পাশে পাচ্ছেন না। অনেকেই প্রশ্ন করছেন, নির্বাচিত হলে এমপি হলে আজম খানকে পাশে পাওয়া যাবে তো!

একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চাঁদপুর জেলা কমিটি থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠন সময়ের যত কমিটি আছে সবাই শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের অনুসারী। এই বিশাল সমর্থন মানিককে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দিয়েছে তার নির্বাচনী এলাকায়।

বিএনপির ভেতরে তাই এখন এক নীরব প্রতিযোগিতা —একপাশে ত্যাগী নেতা মানিক, অন্যপাশে প্রবাসফেরত ভদ্রলোক আজম খান।
আমি এই এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে যতটুকু জেনেছি, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এখন চাঁদপুরের রাজনীতি মূলত বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি এবং কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থীর দখলে।

তবে আগামী নির্বাচনে চাঁদপুর–৩ আসনটি ঘিরে প্রধান লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে—এমনটাই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে।
কিন্তু বিএনপি’র প্রার্থী কে হবেন? দল কাকে মনোনয়ন দেবেন? অনেকের আশঙ্কা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানেরকে প্রভাবিত করে নতুন কোনো মূখ এখানে চাপিয়ে দেয়া হতে পারে।

এমন কিছু হলে দলের মধ্যে অসন্তোষ, সংঘাত বাড়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের গড়া বিএনপি’র দলীয় শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। সার্বিক পরিস্থিতিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে নির্দ্বিধায় বলা যায় চাঁদপুর-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যে প্রার্থী দাঁড়াক না কেন তিনি জয়ী হবেন‌। প্রায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীনভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করলেন নির্দ্বিধায় বলা যায় চাঁদপুর-৩ আসনে ধানের শীষ বিজয় লাভ করবে। শতভাগ নিশ্চিত।

কেন এই আগাম বিশ্বাস? কারণ একদিকে আওয়ামী লীগ না থাকায় মাঠ দখলে থাকবে বিএনপি। সারাদেশে বিএনপি’র সাংগঠনিক শক্তি এখন ইতিবাচক। এই আসনে কেন্দ্রীয়ভাবে যাকেই প্রার্থী করা হোক না কেন তিনি জয়ী হবেন।
এর পিছনে কিন্তু ভিন্ন কাহিনী আছে। চাঁদপুরে বিএনপিকে এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ করার পিছনে একজন ব্যক্তির নাম বারবার শোনা যাচ্ছে।
ডা. দীপু মনির দুঃশাসনের মোকাবেলা করে একের পর এক মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার। বাড়ি–ঘর ভাঙচুর, ব্যবসা লুট, অগ্নিসংযোগ—তিনি মাঠ ছাড়েননি। তৃণমূল তাঁকে “ত্যাগের প্রতীক” বলে জানে। জেলা বিএনপি’র সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তৃণমূলের ভাষায়—“মানিক ভাই না থাকলে দল বাঁচত না।”
কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনী আসনের প্রার্থী কে? তা এখনো অজানা। গুজব আর বিভ্রান্তি ডালপালা ছড়াচ্ছে। যার কারণে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তৃণমূলের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে আসছে দুটি নাম: ১️ শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জেলা বিএনপি সভাপতি। ২️ আজম খান, সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী ব্যবসায়ী ও দলের জেলা উপদেষ্টা সদস্য। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শিক্ষা উপদেষ্টা ডা. মেহেদী আমিন–এর নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে শোনা যাচ্ছে। যদিও তিনি জেলা বিএনপির সদস্য নন।

কিন্তু বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, চাঁদপুরে বিএনপির রাজনীতিতে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এখন এক অবিচ্ছেদ্য নাম।

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি বারবার কারাভোগ করেছেন, দমন–পীড়নের কঠিন সময়েও দলের পাশে থেকেছেন। মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার, এমনকি তাঁর বাসভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের পরও তিনি পিছপা হননি। দলের পিছনে কোটি কোটি টাকার অর্থ খরচ করেছেন।
তৃণমূলের কর্মীরা বলেন “মানিক ভাই না থাকলে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময় চাঁদপুরে বিএনপি বাঁচত না।”
দলের নেতা–কর্মীদের পাশে থাকা, কঠিন সময়ে সংগঠন ধরে রাখা এবং মাঠে সক্রিয় থাকা—এই তিনটি কারণে তিনি আজ দলের অবিসংবাদিত মুখ। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরের সময়ে সংগঠনকে পুনর্গঠিত করার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

মানিকের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে যার নাম জোরেশোরে আলোচিত তিনি হচ্ছেন সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী, ব্যবসায়ী, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আজম খান। আওয়ামী লীগের দায়ের করা মামলার কারণে তিনি বাংলাদেশে আসতে পারেননি গত ১৬ বছর।

সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন এর ফেসবুক পেজ থেকে

বিজ্ঞাপন

Recommended For You