
বাংলা রিডার ডেস্ক
সারাদেশে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে প্রক্রিয়াটি কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে। এসব জটিলতা দ্রুত নিরসন করে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সকাল ১১টায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কারিআনা পাসধারীদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের শিক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষার মান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্কুল ভর্তির ক্ষেত্রে চালু থাকা ‘ভর্তি লটারি’ পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতিকে তার কাছে যুক্তিসংগত মনে হয়নি। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নির্ধারণে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন ও যুগোপযোগী পদ্ধতি চালু করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি তদারকির আওতায় আনা এবং ইবতেদায়ী ও কওমি মাদরাসাসহ সব শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি প্রয়োজন অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য শিগগিরই নতুন করে আবেদন আহ্বান করা হবে এবং পুরোনো আবেদনগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে।



