সংলাপের ফল দেখে তফসিল ঘোষণার দাবি ঐক্যফ্রন্টের

রিডার:: ঢাকা

সোমবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০৯:২৬:০৪ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
গণভবনে প্রধানমন্ত্রী

সংলাপের ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে একাদশ জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণা না করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

নির্বাচন কমিশনকে তারা বলেছেন, আপনারা নির্বাচনের পরে এদেশের থাকবেন তা মনে রেখে সেভাবেই কাজ করবেন।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ সোমবার বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে এ দাবি জানায়।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের কাছে ঐক্যফ্রন্টের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে ছিল, এ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করা, নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ, ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ম্যাজিস্ট্রেসি অথবা গ্রেফতারের ক্ষমতা দিয়ে তফসিলের আগেই সেনা মোতায়নের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা দেয়া।

এসব দাবির মধ্যে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে নির্বাচন কমিশন নিজেদের অনড় অবস্থানের কথা জানিয়ে দিয়েছে। আর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বিষয়ে কমিশনের পক্ষে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরই নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত সময়। তাবলিগ জামাতের বিশ্ব এজতেমার কারণে জানুয়ারি মাসে নির্বাচন দেয়া উচিত হবে না। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, এছাড়া ৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সাথে ঐক্যফন্টের বৈঠকের ফলফলে নজর আছে কমিশনের।

৮ নভেম্বরের কমিশন সভায় ৭ নভেম্বরের (প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের) বৈঠকের ফলাফলের প্রতিফলন হতে পারে। তফসিল ঘোষণা পেছানোর বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলেও জানান।

তবে দীর্ঘ সংলাপে নির্বাচন কমিশন ও ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন ইস্যুতে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। একে অপরকে আক্রমনাত্মক ভাষায় কথাও বলেন। যদিও বাইরে এসে দুই পক্ষই সুন্দর পরিবেশে আলোচনা হয়েছে বলে জানান। এ বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘উত্তপ্ত কথা নয়, উনাদের গলার আওয়াজটাই এরকম। উনারা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। স্বাভাবিকভাবেই এভাবে কথা বলতে অভ্যস্ত’।

গতকাল বিকেল পৌনে ৪টা থেকে সন্ধ্যায় ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে শুরু হওয়া এ বৈঠকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহামুদুর রহমান মান্না, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, বরকতুল্লাহ বুল, এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম রতন ও নঈম জাহাঙ্গীর।

অসুস্থ্যতার কারণে ড. কামাল হোসেন এ বৈঠকে অংশ নেননি বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার একেএম নূরুল হুদাসহ চার কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এবং নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ।

দুই ঘন্টার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আ স ম রব। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম দাবি ছিল ৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপের ফলাফল না জেনে নির্বাচনের তফসিল যেন ঘোষণা না করে। প্রধানমন্ত্রীর সাথে ৭ নভেম্বর আমাদের সংলাপের ফলাফল না জেনে নির্বাচন কমিশন যেন কোন তফসিল ঘোষণা না করেন। ২৮ জানুয়ারী পর্যন্ত সংসদের মেয়াদ আছে। এখনও অনেক সময় রয়েছে।

ইতিপূর্বে বহুবার তফসিল পরিবর্তনের রেকর্ড আছে। অতএব এবারও ৮ তারিখে তফসিল ঘোষণা করতেই হবে, না হলে মহাভারত অসুদ্ধ হয়ে যাবে, নির্বাচন হবেনা এমন নয়। বরং যদি রাজনৈতিক দলগুলি যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন তাদের সাথে আলাপ আলোচনা ছাড়া তফসিল ঘোষণা করা হলে নির্বাচন প্রশ্নের সম্মুখিন হবে, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, আপনারা এদেশের জনগণ আমরাও এদেশের জনগণ, ভোটাররাও এদেশের জনগণ। ২০১৯ সালের জানুয়ারির পরেও নির্বাচন কমিশন ও আমাদের মা বাবা সন্তান সন্ততি এদেশে থাকবে। আপনারা নির্বাচনের পরে এদেশের থাকবেন সেটা মনে রেখে সেভাবেই কাজ করবেন।

রব বলেন, ‘আমাদের সাত দফা কর্মসূচীর আলোকে আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে ও সরকারের যেসব দাবি জানিয়েছি, সেগুলোর মধ্যে কিছু কিছু বিষয়ে উনারা আমাদের কথা দিয়েছেন যে, এগুলো তারা রক্ষা করবেন। আর দু’ একটি বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি, তবে পরে জানাবেন বলেছেন।’

বৈঠকে কমিশন কয়েকটি বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে জানিয়ে রব বলেন, কমিশন আমাদের বলেছে পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা দেয়া হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট যাতে সাহসিকতার সঙ্গে উপস্থিত থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত থাকতে পারে এর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে।

ভোট শেষে ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার স্বাক্ষরিত ফলাফল তৃণমুলে এবং সকল দলের এজেন্টকে সরবরাহ করবে। ফল গণনার আগে কারচুপির জন্য এজেন্টদের কাছ থেকে কোন ফরমে বা সাদা কাগজে আগেই স্বাক্ষর নেয়া হবে না।

তিনি বলেন, বৈঠকে ভোটার ও রাজনৈতিক দলগুলো ইভিএম চায়না এজন্য আমরা নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার দাবী জানিয়েছি। আপনার ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে সিরিয়াস হবেন না। কিন্তু তারা ইভিএম ব্যবহারের বিভিন্ন যোক্তিকতা তুলে ধরেছে কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি।

রব বলেন, সেনা বাহিনীর ব্যাপারে সিইসি বলেছেন, অতীতে সব নির্বাচনে সেনা বাহিনী ছিল। এ নির্বাচনে সেনা বাহিনী থাকবে না এ কথা কী আমি বলেছি? তারা আমাদের কাছে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।

আমরা সেনাবাহীনিকে গ্রেফতার ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েনের দাবী জানিয়েছি। সন্ত্রাস ও মাস্তানেরা যাতে কেন্দ্র দখল, এজেন্ট বের করে না দিতে পারে সেজন্য বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন করতে বলেছি। তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে পারেননি। ইভিএম ও সেনা মোতায়েনের বিষয়ে তারা সিদ্ধান্ত দিতে পারেননি, বাকি পরিবেশ ভালো ছিল।

পরে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ব্রিফিংয়ে সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি যেন সাংবিধানিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেন সেটা উনারা আশা করেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও ভোটারদের নিরাপত্তা এবং পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তার বিষয়ে উনারা কথা বলেছেন।

কমিশন উনাদের আশ্বস্ত করেছেন ভোটকেন্দ্রে ভোটার পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা ইসি নিশ্চিত করবেন। এবং ভোটের ফলাফল এজেন্টদের স্বাক্ষরসহ যেন প্রকাশ করা হয় সেটা উনারা দাবী করেছেন। ইসি তাদের আশস্ব করেছেন পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষরসহ ফলাফল প্রদান করা হবে। দেশী-বিদেশী পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন এবং তাদের নিরাপত্তার দাবী জানিয়েছেন। ইসি এ বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেছেন।

সচিব বলেন, সেনাবাহিনী মেতায়েনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ইসি বলেছে এখনো তফসিল ঘোষণা হয়নি, তফসিল ঘোষণার পরে কমিশনারদের সাথে বসে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ইভিএম এর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, ইসি বলেছে সীমিত পরিসরে শহর এলাকায় ব্যবহারের পরিকল্পনা আছে। সেটাও কোন কোন কেন্দ্রে সে বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত প্রদান করা হবে।

সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৭ তারিখে একটি আলোচনা আছে, তারা সেখানে নজর রাখতে বলেছেন। তফসিল ঘোষণার এখতিয়ার একমাত্র নির্বাচন কমিশনের আছে। ৮ তারিখে তফসিলের ঘোষণার বিষয়ে যেহেতু সিদ্ধান্ত হয়ে আছে। ৮ নভেম্বরের কমিশন সভায় ৭ নভেম্বরের (প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের) বৈঠকের ফলাফলের প্রতিফলন হতে পারে। সংলাপে সমঝোতা হলে তফসিল ঘোষণা পেছাবে কী না- এ বিষয়ে সচিব বলেন, এ বিষয়ে এই মুহুর্তে বলা যাচ্ছে না। ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষনা ও ডিসেম্বরে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি আছে।

দুই পক্ষের তর্ক-বিতর্ক : সংলাপে শুরুর কিছু সময় পর থেকে নির্বাচন কমিশনার ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কয়েক নেতার সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে বলে বৈঠকে অংশ নেয়া কয়েকজন জানিয়েছেন।

বৈঠকের এক পর্যায়ে ঐক্যফ্রন্টের একজন নেতা কমিশনের উদ্দেশে বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি কোনো অনাস্থার কথা বলতে আসিনি। তবে এই নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা নেই। এ বক্তব্যের জবাবে একজন কমিশনার বলেন, আপনারা বড় বড় কথা বলেন। আপনাদের (রাজনৈতিক দল) ওপরও তো জনগণের আস্থা নেই। ওই বক্তব্যের পরই ঐক্যফ্রন্টের নেতা উত্তেজিত হয়ে বলেন, মাইন্ড ইয়োর ল্যাঙ্গুয়েজ। সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের আরেক নেতা বলেন, ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন আর করা যাবে না।

ওই নির্বাচন করে পার পাওয়া যাবে না। বৈঠকে একজন কমিশনার ইভিএম এ কারচুপি করা সম্ভব নয় বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলে তার জবাবে একজন নেতাও কারচুপি সম্ভব বলে পাল্টা চ্যালেঞ্জ দেন। সভায় ইভিএম, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন বিষয়ে সিইসি তাদের মনোভাবের কথা তুলে ধরেন। তবে ইভিএম ও সেনাবাহিনী প্রশ্নে ঐক্যফ্রন্টের বক্তব্যের জবাবে বেশিরভাগ কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই ইভিএম। এক সময় সবাই ইভিএম চায়বে। তবে এবার ইভিএম ব্যবহার হবে খুবই সীমিত আকারে। অতীতে সেনা বাহিনী মোতায়েন ছাড়া কোনো নির্বাচন হয়নি। এখনও সেনাবাহিনীর সহায়তা ছাড়া নির্বাচন করা সম্ভব এমনটি ইসি মনে করছে না। তবে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার সুযোগ নেই। এদিকে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতিও তফসিল পেছানোর দাবি জানিয়ে গতকাল ইসিতে একটি চিঠি পাঠায়।

এই মুহুর্তে পড়া হচ্ছে

গুজবে কান দিয়ে রংপুরের যে যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে সেই শহিদুন্নবী জুয়েল আদতে ধর্মভিরু... আরও পড়ুন

আদতে ধর্মভিরু মুসলিম।

নভেম্বরের শুরুতেই নয়া প্রেসিডেন্ট পেতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে আগাম ভোট শুরু হয়েছে চলতি মাসে। এরই... আরও পড়ুন

ডাকযোগে আগাম ভোট

হাজী সেলিমপুত্র ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বহিস্কৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ... আরও পড়ুন

মোহাম্মদ জাহিদের তিন

টানা দশ ঘণ্টা রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে বসে আলোচনার পর আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির... আরও পড়ুন

যুদ্ধবিরতির বিষয়ে

হঠাৎ করে ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ায় সামাজিক মাধ্যমগুলোতে উদ্বিগ্ন আমজনতা। চলছে আন্দোলনও। দাবি উঠছে সর্বোচ্চ শাস্তি... আরও পড়ুন

ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ায়

প্রায় চার মাস বাদে পদ্মা সেতুর ৩২তম স্প্যান স্থাপনের মধ্য দিয়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান... আরও পড়ুন

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কাস পার্টির ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে একটি নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উন্মোচন করেছে... আরও পড়ুন

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উন্মোচন

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের পাঠানো একটি বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন ধ্বংস করেছে সৌদি এয়ার... আরও পড়ুন

বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন ধ্বংস

করোনা আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে দেশটির ঐতিহ্য অনুযায়ী নির্বাচনী বিতর্ক... আরও পড়ুন

নির্বাচনী বিতর্ক

পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে চার শিশুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের... আরও পড়ুন

ধর্ষণের অভিযোগে চার শিশু

  সাম্প্রতিক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এতো পরিশ্রম করি, এত মেধা খাটাই কিসের জন্য:সিইসি

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে(ইভিএম) সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব দাবি করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন,‘এত পরিশ্রম করি, এত মেধা খাটাই কিসের জন্য ? ভোটারের ভোট দিতে পারা নিশ্চিত করার জন্য।’ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বেইলী রোডে সিদ্ধেশ্বরী কলেজে ইভিএমে... আরও পড়ুন

বৃদ্ধির উপর জোর

ইভিএমে ভোটের হার নিয়ে উদ্বিগ্ন ইসি

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন দুই সিটির ভোটে কেন্দ্রে ভোটার বৃদ্ধির উপর জোর দিয়েছে। ইভিএমে অনুষ্ঠিত বিগত কয়েকটি নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে এক ধরণের অস্বস্তিতে রয়েছে কমিশন। উত্তর ও দক্ষিণ সিটির ভোটকে কেন্দ্র... আরও পড়ুন

আসন্ন দুই সিটি

ইভিএমে নীরবে কারচুপি হওয়ার সুযোগ নেই : সিইসি

আসন্ন দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নীরবে কারচুপি হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, ইভিএমে ভোটের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সুতরাং ইভিএম থেকো সরে আসার সুযোগ নেই। ইভিএমে আগে... আরও পড়ুন

ব্যালটের চেয়ে ব্যয় বেশি ইভিএমে

প্রচলিত ব্যালট পেপারের চেয়ে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণে ব্যয় বাড়ছে। প্রতিটি জাতীয় বা স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে নির্বাচন পরিচালনা, প্রশিক্ষণ এবং মক ভোটিংয়ে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। ইভিএম ব্যবহারের পর থেকে নির্বাচনী বাজেট ফুলে ফেঁপে বেড়েছে। যদিও... আরও পড়ুন