প্রাচ্যের অক্সফোর্ড-২

রিডার::ফাহাম আবদুস সালাম

সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০১:৫০:৪৪ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
কিন্তু কথাটা সত্যি - এটা

বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে প্রচলিত সবচাইতে বড় কুসংস্কার হোলো – এই একটি বিশ্ববিদ্যালয়। শুনতে ভালো লাগবে না কিন্তু কথাটা সত্যি – এটা কোনো বিশ্ববিদ্যালয় না। এখানে যারা বয়সে বড় – তারা আসে চাকরি করতে আর যারা বয়সে কচি – তারা আসে চাকরি আর বিয়ের বাজারে ঢোকার জন্য।

এখানে সবারই তপন রায় চৌধুরীর ভাষায় – সরস্বতীর সাথে ফৌজদারী মোকদ্দমা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এতো বিদ্যাবিমুখ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমার অভিজ্ঞতায় অন্তত কখনো ধরা পড়ে নি। তো এই অবস্থাটা কীভাবে হোলো?

আমার গল্পটা বলা যাক।

যেকোনো মহৎ গল্পের শুরু হতে হয় মহামতি মালেক স্যারকে দিয়ে। তিনি কোনো শিক্ষক নন শুধু – তিনি নিজেই একটা প্রতিষ্ঠান – বা একটি দেশও বলতে পারেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনাচে কানাচে প্রতিটি ডিপার্টমেন্টে আপনি বেশ কয়েকজন মালেক স্যারকে পাবেন।

মালেক স্যারদের চুল পরিপাটিভাবে সাঁতলানো থাকে তেলে – তারা কখনো জীন্স পরেন না, তারা পরেন চকচকে ড্রেসপ্যান্ট, ঢোলাঢালা – তাদের টি-শার্টও টাকড-ইন থাকে – তাদের ট্রাউজারের বেল্ট সাধারণত বজ্র কঠিন হয় – অগ্নিপরীক্ষায় রত।

অনিবার্যভাবে মালেক স্যাররা নিজের বিষয়ে যেমনই হোন – আইন বিষয়ে অত্যন্ত তাগড়া থাকেন। যেকোনো বিষয়ে তারা আপনাকে হাইকোর্ট দেখিয়ে দেবেন – কার্জন হল থেকে তো হাইকোর্ট দেখানোই যায় – কী বলেন।

মালেক স্যাররা – আপনার জানেন না – সিক্রেটলি কিন্তু সফল হোমিওপ্যাথ কিংবা আয়ুর্বেদিক। মজলিশে তিনি শুনলেন যে আপনার ডায়াবেটিস – এই হয়তো পকেট থেকে বের করবেন শাদা পুরিয়া। কানের কাছে এসে গোপনে বলবেন – নয়নতারা ফুলই হোলো ডায়াবিটিসের ধন্বন্তরি চিকিৎসা।

সিটাগ্লিপটিন আর মেটফরমিন হাইড্রোক্লোরাইড হোলো কোথাকার কোন বালের ওষুধ (অশ্লীল শব্দগুলো যেখানেই দেখবেন – য়ে মানে ওগুলা আমার – একটু হাই হয়ে যাই আর কি) আপনার জানা নেই – মালেক স্যারদের দেখবেন ঢাকা শহরের আনাচে কানাচেতে দেড় কাঠা, তিন কাঠা জমি কিলবিল করে। তাদের মুখে রাজউক হাসি এস্পার-ওস্পার – যার মানে শুধু রাজউকের জমিবাজরাই বুঝবেন।

মালেক স্যারদের আপনি জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে সবখানে সব কমিটিতে পাবেন, শুধু ক্লাসরুম ছাড়া। উনি মাঝে মাঝে ক্লাসে আসতেন ঠিক আমার মতো – মাঝে মাঝে। ব্যাটে বলে হয়ে উঠতোই না।

আশ্চর্যের কথা হোলো এই মালেক স্যার প্রাইভেট য়ুনিভার্সিটিতে নাকি নিয়মিত ক্লাস নেন। শোনা কথা যদিও। আমি কান দিতে চাই না।

আমার ধারণা প্রতিটি মালেক স্যারের মাথায় একই ভাবনা কাজ করে। দশ টাকায় পড়িস, হলে বেওয়ারিশ কুত্তার মতো রাত-কাবার করিস – তোরা যে আমার চেহারা দেখতে পাস – এটাই তো বেশী। আমি যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতাম আমারো হয়তো একই খাসলত হয়ে যেতো।

আমাদের এক শিক্ষক ছিলেন ডোনাল্ড স্যার। যারা ভালো ছেলে ও যারা ভালো মেয়ে, তারা বলতো – শুনতাম – ডোনাল্ড স্যার নাকি মহান শিক্ষক। আমি যেহেতু ক্লাস করতাম না – কিংবা ক্লাসে থাকলেও পিছনে বসে সৌগতর সাথে ব্যাটেলশীপ খেলতাম – আমি ঠিক জানি না উনি কেমনতর ছিলেন। তবে ফোর্থ য়ারে উনাকে ক্লাসের ভালো ছেলে ও ভালো মেয়েরা মিলে অনুরোধ করলো স্যার পরীক্ষা নেন – আর পিছায়েন না আল্লাহর দোহাই। আমি শুনলাম – এখনো শুনতে পাই কানে – উনি বললেন, পাশ করে করবা কী, বেকারই তো থাকবা। সো এপ্যাথেটিক।

তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমি ওনার কাছে কৃতজ্ঞ। উনি আমার জীবনে একটা বড় উপকার করেছিলেন। এরকম উপকার জীবনে আমাকে আরেকজনই করেছিলেন – বিটিভির নওয়াজিশ আলী খান।

পিএইচডি শেষ হওয়ার পর সম্ভবত স্ত্রীর প্ররোচনায় কিংবা অতিরিক্ত ফেসবুক করার কারণে আমার মধ্যে অত্যাধিক দেশপ্রেমের সঞ্চার হয়েছিলো, মানে চাগায় উঠলো। সাকিব খানের নায়িকা যে ভুল করেছিলো – এগজ্যাক্টলি একই ভুল করার জন্য আমি উদ্যত হই – অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে। ডোনাল্ড স্যার তখন নর্থ সাউথ য়ুনিভার্সিটিতে। এপ্লাই করলাম – উনি সরাসরি রিজেক্ট করে দিলেন। আমার পিএইচডি অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আর সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটে ঢোকার জন্য যথেষ্ট ছিলো, নর্থ-সাউথের জন্য যথেষ্ট ছিলো না। বামন হয়ে সালার চাঁদ ছুঁতে গেলে যা হয় আর কি। কী সাংঘাতিক বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ-সাউথ, একবার চিন্তা করে দেখেন।

এখন মনে হয় সেসময়ে ডাকলে আমি নির্ঘাৎ দেশে চলে যেতাম এবং গেলে এতোদিনে অবশ্যই গুম হয়ে যেতাম। আপনারা শুনতেন নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যে জঙ্গীদের ট্রেনিং গ্রাউন্ড তার আসল কমাণ্ডার আমি। এক অর্থে ডোনাল্ড স্যার আমার জান বাঁচালেন। নওয়াজিশ আলী খানের গল্পটা বলা হবে আমার জীবনীতে।

 

 

শিক্ষকরা – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের সব থেকে বড় প্রতিবন্ধক। ছেলেরা পুরুষ হতে পারতো না শিক্ষকদের কারণে।তাদের ইন্সিকিউরিটি দিয়ে এই মহাবিশ্ব চারবার ঢাকা যাবে। দুয়েকজন ব্যতিক্রম ছাড়া আমি সবাইকেই এরকমই পেয়েছিলাম। তারা কখনোই ছাত্রদের সম্ভাবনা হিসেবে দেখতেন না (এখন হয়তো বদলেছে) – দেখতেন মুরগী হিসাবে।

বায়োকেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে একজন মহান শিক্ষক ছিলেন আফতাব স্যার। আমাদের বান্ধবী সামিয়া আহমেদ বোটানী থেকে বায়োকেমিস্ট্রিতে যেতো ক্লাস করতে – এক্সট্রা ডিপার্টমেন্ট কোর্স না কি বলতাম আমরা – ভুলে গেছি। একদিন দেখি ডিপার্টমেন্টের বাইরে সিঁড়িতে বসে কাঁদছে। আফতাব স্যার সামিয়াকে বকাবাজি করেছেন তুমি একেকদিন একেক কামিজ পরো – বড়োলোকি দেখাও – এই হোলো সামিয়ার অপরাধ। তখন আফতাব স্যারের যে বয়স ছিলো আমার বয়স এখন তার কাছাকাছি। আমার ছাত্রীর সাথে এই কনভার্সেশনে আমাকে যেতে হবে কেন – এটাই আমি বুঝে পাই না। সে কি পরে আর কি না পরে – সেটা আমাকে কেন দেখতে হবে? ১৮ বছরের একটা বাচ্চা মেয়েকে এরকম বিচিত্র অভিযোগ করার চিন্তাটা মাথায় আসতে হলে আপনাকে অবশ্যই বাঙালি হতে হবে।

অনেক শিক্ষককে দেখেছি কোনো ছেলে আর মেয়েকে বসা অবস্থায় দেখলেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠতেন। এর কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আমরা স্মরণ করতে পারি আমাদের বাসার দারোয়ান দার্শনিক ওয়ালিদ ভাইয়ের কথা। আপনাদের তো আগেই বলেছি কখন কোথায় ঢিল মারতে হয় তিনি আমাকে শিখিয়েছিলেন ৯ বছর বয়সে। যারা ছোটোবেলায় ভাদ্র মাসে ঢিল ছোড়াছুড়ি করেন, বড়ো হয়ে তারাই ছাত্রছাত্রীদের একসাথে বসা অবস্থায় দেখলে হাই হয়ে যেতেন। একদিন আমি আর শামা বসেছিলাম বোটানির সিঁড়িতে। এক শিক্ষক প্রায় দৌড়ে আসলেন আমাদের দিকে। বয়ষ্ক মানুষ – রাগে কাঁপছেন। তার বিশেষ রাগ আমার ওপর – নিজের ডিপার্টমেন্টের মফিজ পাওয়া গেছে। এখানে বসে আছো কেন – চিৎকার করে উঠলেন। এমন একটা ভাব যেন আমি সম্রাট ক্যালিগুলা – ন্যাংটো হয়ে বসে আছি আছি সেক্স করার জন্য। আমি আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলাম – তো অসুবিধাটা কি বসে থাকলে? এর চেয়ে স্বাভাবিক কোনো উত্তর এরকম পরিস্থিতিতে দেয়া সম্ভব? আপনিই বলেন? নবাব সিরাজুদ্দৌলার চরিত্রে আনোয়ার হোসেন যতোটা কাপে নাই পুরা সিনেমায় আমার শিক্ষক তার চেয়ে বেশী কেঁপে উঠলেন সেই মুহূর্তে। আমার মনে হচ্ছিলো তিনি মারা যেতে পারেন স্ট্রোক করে। তোমাকে আমি দেখে নিবো, দেখে নিবো বলতে বলতে চলে গেলেন।

তো কী দেখে নেয়া হোলো? প্রায়ই ভাবি।

বয়ষ্ক শিক্ষকরা এমন সব শিশুদের মতো কাজ করতেন যে ফ্র্যাঙ্কলি – এদের সব সময় এভয়েড করতে হোতো। আপনাদের কে যদি আমি মহাত্মা মাহফুজ স্যারকে নিয়ে লিখতে বসি কায়েনাত শেষ হয়ে যাবে কিন্তু আমার লেখা আপনি থামাতে পারবেন না। তিনি নিজেই একটা মহাবিশ্ব। তাকে শুধুমাত্র এক নজর দেখার জন্যে আপনার টিকিট কাটা উচিত।

আমার ধারণা সব ডিপার্টমেন্টই মোটামুটি মালেক ও মাহফুজ স্যারদের দখলে ছিলো সে সময়ে – এখনো আছে হয়তো – বলতে পারবো না।

এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হোলো কীভাবে?

এর উত্তর মিলবে আগামী সংখ্যায় (আমি চালাক হয়ে গেছি)

এই মুহুর্তে পড়া হচ্ছে

গুঞ্জণটা ছিল আগের থেকে। বি-টাউনের সফলতম পরিচালক রাজকুমার হিরাণি এবার রোমান্সের বাদশাহ শাহরুখ খানের ডুবে... আরও পড়ুন

জার্মানির হানাউয় শহরের দুটি পৃথক সীসাবারে সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছে। জখম হয়েছে আরও... আরও পড়ুন

আগামী চার দিনের মধ্যে গ্রামীণ ফোনকে, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নিরীক্ষা দাবি নাগাদ পাওনা... আরও পড়ুন

কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক আজন্মা।প্রতি দশকে কোন না কোন কারণে সেই পরিস্থিতির অবনতি হয়।যুদ্ধ... আরও পড়ুন

অবনতি হয়।যুদ্ধ হয়েছেও

অবশেষে হিজাব বা পাগড়ি পরেই মার্কিন বিমানবাহিনীতে চাকরি করার অনুমতি মিলেছে। চলতি মাসে মুসলমান বা... আরও পড়ুন

  সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা... আরও পড়ুন

দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্ট চেয়ে জামিন আবেদন করেছেন।যুক্তরাজ্যের মতো... আরও পড়ুন

ট্রিটমেন্ট চেয়ে জামিন

কারাবন্দী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য প্যারোল বিষয়টি তাঁর পরিবারে সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন  বিএনপির মহাসচিব... আরও পড়ুন

সভাপতি আনোয়ার হোসেইন

ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক তাপস পাল মারা গেছেন।গতকাল সোমবার রাতে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে... আরও পড়ুন

ঘুষের মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন সাবেক বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদার করা... আরও পড়ুন

পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে

  সাম্প্রতিক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা জিনিসটা কী এটা বুঝতে আমার বেশ কয়েক বছর নষ্ট হয়েছিলো। বরাবরই আমি খারাপ ছাত্র ছিলাম। ক্যাডেট কলেজে আমি নিয়মিত ফেল করতাম। আমার মাথায় একটা প্রায় ধর্ম- বিশ্বাস জন্মেছিলো যে আমি যদি হেমন্তের ‘এই রাত তোমার আমার’ শুনে প্রিটেস্ট... আরও পড়ুন

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল আগামীকাল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফল আগামীকাল মঙ্গলবার প্রকাশ করা হবে। আগামীকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় এ ফল প্রকাশ করা হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এতে বলা... আরও পড়ুন

ফলাফল প্রকাশ করেছে

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে উত্তীর্ণ ১১ হাজার

  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক' ইউনিটের অধীন স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এবছর ‘ক’ ইউনিটে সমন্বিতভাবে পাসের হার মোট পরীক্ষার্থীর ১৩.০৫ শতাংশ। রোববার (২০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২ টার সময়... আরও পড়ুন

প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার

ঢাবির ‘চ’ ইউনিটে উত্তীর্ণ ৩৪৩ পরীক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের অধীন স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এবছর ‘চ’ ইউনিটে পাসের হার মোট পরীক্ষার্থীর ২.৫০ শতাংশ। রোববার (২০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি... আরও পড়ুন