পিলখানা হত্যায় হাইকোর্টের রায়ে ১৩৯ জনের ফাঁসি

রিডার: ফরিদ হোসেন

বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৭ ০৬:৪৬:১০ পূর্বাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
পিলখানায়(বিডিআর হত্যা

বহুল আলোচিত পিলখানায়(বিডিআর হত্যা মামলা হিসেবে পরিচিত) ৫৭ জন সেনা কমকতাসহ ৭৪ জনকে হত্যার দায়ে হাইকোর্টের বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের মৃত্যুদন্ড বহাল রাখা হয়েছে।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আট জনকে যাবজ্জীবন, চার জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের একজন মারা গেছেন।
বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ (বৃহত্তর) বেঞ্চ সোমবার এ রায় দিয়েছেন।

বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

রায়ের পর্যবেক্ষণে পিলখানা হত্যাকান্ডকে একটি নজিরবিহীন ঘটনা উল্লেখ করে আদালত বলেছেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ও এত সংখ্যক সেনা কর্মকর্তা নিহত হয়নি।

এতো অল্প সময়ে এক সঙ্গে অধশতাধীক সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসেই বিরল। এই নজির কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।’

যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত ১৬০ জনের মধ্যে যাবজ্জীবন বহাল রাখা হয়েছে ১৪৬ জনের। বাকি ১৪ জনের মধ্যে খালাস পেয়েছেন ১২ জন এবং বাকী দুইজন মারা গেছেন। আর বিচারিক আালতে খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে আরও ৩১জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার হাইকোর্টের এই রায়ের মাধ্যমে মামলাটির বিচার প্রক্রিয়ার দুটি ধাপই শেষ হয়েছে।

বিচারিক আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডপ্রাপ্ত ২৫৬ জনের মধ্যে হাইকোর্ট ১৮২ জনকে ১০ বছর করে কারাদন্ড, ৮ জনকে ৭ বছর, ৪ জনকে ৩ বছর এবং ২ জনকে ১৩ বছর করে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

বাকিদের মধ্যে ২৯ জন খালাস পেয়েছেন, ২৮ জন কোন আপিল করেননি এবং ৩ জন মারা গেছেন। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, যে ২৮ জন আপিল করেনি, তাদের সাজা বহাল রয়েছে।

এছাড়া নিম্ন আদালতে খালাসপ্রাপ্ত ২৭৭ আসামির মধ্যে ৬৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করেন। এর মধ্যে হাইকোর্ট ৩১ জনকে যাবজ্জীবন এবং ৪ জনকে ৭ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন। বাকি ৩৪ জনের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে বিচারিক আদালত বেঞ্চের নেতৃত্বদানকারী বিচারপতি মো. শওকত হোসেন রবিবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে রায় ঘোষণা শুরু করেন। তার অল্প কিছু পর্যবেক্ষণ দেওয়ার পরই বেঞ্চের অপর সদস্য বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী তার পর্যবেক্ষণ দেওয়া শুরু করেন।

বিকেল পর্যন্ত তিনিই পর্যবেক্ষণ দেন। সোমবার বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার তার অল্প কিছু পর্যবেক্ষণ ঘোষণা করেন।

বিচারপতি মো. শওকত হোসেন তার পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘পিলখানায় হত্যাকান্ডের মাধ্যমে দেশে একটা ভয়াবহ ও ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়।

এমনকি বিডিআর (বতমান বিজিবি) মহাপরিচালকের স্ত্রীকেও হত্যা করা হয় নৃসংশভাবে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ও এত সংখ্যক সেনা কর্মকর্তা নিহত হয়নি।

এটা ছিল নির্বিচারে হত্যা (মাস কিলিং)। ওইদিন দেশের সূর্য সন্তানদের হত্যা করা হয়। তাদের বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের বিচার বিভাগের জন্য এটা একটি ঐতিহাসিক মামলা। এ মামলার বিচারকালে বেশ কিছু আইনগত প্রশ্ন ওঠে।

আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপতি রেফারেন্স পাঠান। আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের পর বিচার শুরু হয়। এ মামলাটিতে আমরা ৩শ ৭০ কার্যদিবস শুনানি গ্রহণ করেছি।

৮শ ৫০ জন আসামির মধ্যে পলাতক ছাড়া বাকিরা এ রায় শোনার জন্য অপেক্ষা করছে। পাশাপাশি দেশের মানুষ এ রায় জানতে চান। তাই আমাদের দায়বদ্ধতা আছে।

এটা অনেক বড় রায়। আমরা একটা ভাল রায় দেয়ার চেষ্টা করছি। রায়ে আমাদের আলাদা আলাদা পর্যবেক্ষণ থাকতে পারে। তবে গন্তব্য এক। রায়ের আদেশের অংশের বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে মোট ৫৫জন সেনা কর্মকর্তা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছিল।

আফ্রিকার রুয়ান্ডা ও কঙ্গোর গৃহযুদ্ধে ১৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার নজির আছে। ক্ষিণ ফিলিপাইনের এক বিদ্রোহে ছয় সেনা কর্মকর্তা নিহত হয়েছিল।

পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বাধিক সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিলে ইন্দোনেশিয়ায় । সেখানে ১৯৬৭ সালে চিনপন্থী কমিউনিস্টদের সমর্থনে সংঘটিত সাত দিনের বিদ্রোহে একশ সেনা কর্মকর্তা নিহত হয়েছিল।

আর পিলখানার ঘটনা তাকেও হার মানায়।২০০৯ সালে মাত্র ৩০ ঘন্টার বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তঅসহ ৭৪জনকে হত্যার ঘটনা ছিল অবর্ননীয় বর্বরোচিত এবং নজিরবিহীন।’

বিচারপতি সিদ্দিকী রায়ের পর্যবেক্ষণে আরও বলেছেন, ‘পিলখানা ট্রাজেডি ও বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পূর্বাপর আলোচনা ও পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট, অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা বিঘ্নে লক্ষ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের প্রশিক্ষিত প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ধ্বংসের চক্রান্ত করে।

সেই চক্রান্তকে রুখে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্রনায়কচিতভাবে গৃহীত দৃঢ় পদক্ষেপ অবশ্যই প্রসংশার দাবি রাখে।

অন্যদিকে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা, দেশের সার্বভৌমত্ব, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রশিক্ষিত, দক্ষ ও সুশৃঙ্খল প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী, দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্রের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও অবিচল আস্থা রেখে চরম ধৈর্যের সাথে উদ্ভূত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি মোকাবেলার মাধ্যমে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে তারা দেশবাসীর ভালবাসা ও সুনাম অর্জন করেছে।

২০০৯ সালের বিদ্রোহের মূল লক্ষ্য ছিল সেনা কর্মকর্তাদের জিম্মি করে যে কোন মূল্যেই তাদের দাবি আায় করা। বাহিনীর চেইন অব কমান্ড ধ্বংস করে এই সু-শৃঙ্খল বাহিনীকে অকার্যকর করা।

প্রয়োজনে সেনা কর্মকর্তাদের নৃসংশভাবে নির্যাতন ও হত্যা করা, যাতে ভবিষ্যতে সেনা কর্মকর্তারা বিডিআর-এ প্রেষণে কাজ করতে নিরুৎসাহিত হন।

এছাড়া সেনাবাহিনী ও বিডিআরকে সাংঘর্ষিক অবস্থানে দাঁড় করিয়ে দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটনানোর মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকারকে অস্থিতিশীলতার মধ্যে নিপাতিত করা।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করা। বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবর্মূর্তি বিনষ্ট করা এবং জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ক্ষতিগ্রস্ত করা। ’

বিচারপতি সিদ্দিকী বলেন, ‘ওই বিদ্রোহ মাত্র ৪৮ দিনের একটি নবনির্বাচিত সরকারকে মারাত্মক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করে যা ছিল, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের জন্য প্রচন্ড হুমকিস্বরূপ।’

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দফতর পিলখানায় বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। রক্তাক্ত ওই বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম ২০১০ সালে পুনর্গঠন করা হয়।

নাম বদলের পর এ বাহিনী বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নামে পরিচিত। এ বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় প্রথমে রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে এসব মামলা নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। এর মধ্যে হত্যা মামলার বিচার শেষ হয়েছে।

হত্যা মামলায় মোট আসামি ছিল ৮৫০ জন। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে বিডিআরের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) তৌহিুল আলমসহ ১৫২ জনকে মৃত্যুদন্ড, আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী, বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুসহ ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় ২৫৬ জনকে। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পান ২৭৭ জন।

নিয়ম অনুযায়ী রায় ঘোষণার কয়েক দিন পরেই মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের মৃত্যু অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে। এছাড়া কিছু আসামি আপিলও করেন।

পাশাপাশি খালাসপ্রাপ্ত ২৭৭ জনের মধ্যে ৭৯ জনের শাস্তি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। এসব আপিল ও ডেথরেফারেন্সের ওপর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি বিশেষ বেঞ্চ গঠন হয়।

এরপর একই বছরের ১৭ জানুয়ারি এই বেঞ্চ পুনর্গঠন হয়। পুন:র্গঠিত এই বেঞ্চে একই বছরের ১৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপরে পেপারবুক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শুনানি শুরু হয়। গত ১৩ এপ্রিল শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়।

এই মুহুর্তে পড়া হচ্ছে

গুজবে কান দিয়ে রংপুরের যে যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে সেই শহিদুন্নবী জুয়েল আদতে ধর্মভিরু... আরও পড়ুন

আদতে ধর্মভিরু মুসলিম।

নভেম্বরের শুরুতেই নয়া প্রেসিডেন্ট পেতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে আগাম ভোট শুরু হয়েছে চলতি মাসে। এরই... আরও পড়ুন

ডাকযোগে আগাম ভোট

হাজী সেলিমপুত্র ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বহিস্কৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ... আরও পড়ুন

মোহাম্মদ জাহিদের তিন

টানা দশ ঘণ্টা রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে বসে আলোচনার পর আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির... আরও পড়ুন

যুদ্ধবিরতির বিষয়ে

হঠাৎ করে ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ায় সামাজিক মাধ্যমগুলোতে উদ্বিগ্ন আমজনতা। চলছে আন্দোলনও। দাবি উঠছে সর্বোচ্চ শাস্তি... আরও পড়ুন

ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ায়

প্রায় চার মাস বাদে পদ্মা সেতুর ৩২তম স্প্যান স্থাপনের মধ্য দিয়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান... আরও পড়ুন

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কাস পার্টির ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে একটি নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উন্মোচন করেছে... আরও পড়ুন

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উন্মোচন

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের পাঠানো একটি বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন ধ্বংস করেছে সৌদি এয়ার... আরও পড়ুন

বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন ধ্বংস

করোনা আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে দেশটির ঐতিহ্য অনুযায়ী নির্বাচনী বিতর্ক... আরও পড়ুন

নির্বাচনী বিতর্ক

পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে চার শিশুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের... আরও পড়ুন

ধর্ষণের অভিযোগে চার শিশু

  সাম্প্রতিক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Recommended for you

যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত তিন

কালিদাস বড়াল হত্যা হাইকোর্টে ৬ আসামি খালাস

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কালিদাস বড়াল হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামির মধ্যে তিনজনকে এবং যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি... আরও পড়ুন

সাত খুন মামলায় ১৫

সাত খুন: ১৫ জনের ফাঁসি বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় ১৫ আসামির ফাঁসির আদেশ বহাল রেখে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে এই রায় লেখার কাজ। প্রায় ৮শ পৃষ্ঠার... আরও পড়ুন

সাত খুন মামলায়

সাত খুন মামলায় ১৫ জনের ফাঁসি বহালের রায়ে হাইকোর্টের দুই বিচারপতির স্বাক্ষর

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় ১৫ আসামির ফাঁসির আদেশ বহাল রেখে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় লেখার কাজ শেষ হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৮শ পৃষ্ঠার রায় লেখার পর আজ বৃহস্পতিবার রায়ের কপিতে স্বাক্ষর... আরও পড়ুন

নৌকার হাল হাসিনার হাতেই

সভাপতির পদটি অনেকটা অনুমেয় থাকলেও সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ ছিল না। আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরই থাকছেন। আজ শনিবার আওয়ামীলীগের ২১ তম জাতীয় সম্মেলনে দ্বিতীয় দিনে কাউন্সিল অধিবেসনের শেষ পর্বে... আরও পড়ুন

নেতার নামও আলোচনায়

কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগের সম্পাদক

সামনে আসছে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন।এরই মধ্যে আলোচনার শীর্ষে আসছে কে হতে যাচ্ছেন পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক। বেশকিছু নেতার নামও আলোচনায় উঠে আসছে দলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদটিতে। প্রতিবারেই জাতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদটিতে চমক রাখে ক্ষমতাসীন দলটি।এবার সেই রেওয়াজে ব্যতিক্রম ঘটছে... আরও পড়ুন

আওয়ামী লীগের

এমপিরা আ’লীগের উপজেলা কমিটিতে থাকবে না: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা উপজেলা পর্যায়ের কমিটিতে বা কমিটির শীর্ষ পর্যায়ে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার ধানমন্ডিতে দলটির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ওবায়দুল কাদের।... আরও পড়ুন

যারা অন্তঃকলহ

‘আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের প্রয়োজন নেই’

যারা অন্তঃকলহ করবে, অপকর্ম করবে, দুর্নীতি করতে- তাদের আওয়ামী লীগে স্থান হবে না। আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ বুধবার চট্টগ্রাম নগরীর কেবি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত প্রয়াত আওয়ামী লীগের নেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী... আরও পড়ুন