ডিসেম্বরে করোনার ভ্যাকসিন আনবে গ্লোব বায়োটিক

রিডার::আবিদা মাহমুদ

শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০ ০২:২১:০২ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
প্রতিরোধে ভ্যাকসিন

বড় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার শিকার না হলে ট্রায়াল শেষে এই বছরের শেষে অর্থাৎ ডিসেম্বরেই করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন বাজারে আনতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন গ্লোব বায়োটেক রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ড. আসিফ মাহমুদ।

আজ শনিবার বাংলা রিডারের সঙ্গে ভাইরাস ভ্যাকসিন আবিষ্কার বিষয়ক দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন।

গ্লোবের ভ্যাকসিন এখন কোন পর্যায়ে আছে?

ড. আসিফ মাহমুদ: ভ্যাকসিনটি প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা পাঁচটি খরগোশের ওপরে ট্রায়াল করি। আমরা যেহেতু তিনটা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট নিয়ে কাজ করছি, সে কারণে তিনটা ক্যান্ডিডেট আমরা তিনটি খরগোশের শরীরে প্রয়োগ করি। এরপর একটা খরগোশ কন্ট্রোলড থাকে, যেটাতে আমরা কোনো ভ্যাকসিন প্রয়োগ করিনি।

আরেকটি খরগোশের শরীরে আমরা প্লাসিবো দিই, সেখানে ভ্যাকসিনের অ্যাক্টিভ ম্যাটারিয়াল ছিল না, শুধু ফর্মুলেশন বাফার দেওয়া হয়। কন্ট্রোলে যেটা ছিল, সেটাতে কোনো কিছুই ইনজেক্ট করা হয়নি। আর যে খরগোশটিকে প্লাসিবো দেওয়া হয়, সেটি নরমাল ছিল। এরপর ১৪তম দিনে আমাদের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা তিনটি খরগোশের শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করি।

রক্ত থেকে সিরাম পৃথক করে আমরা দেখতে পাই তিনটি খরগোশের শরীরেই যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

আমরা মোট চারটি ক্যান্ডিডেট এবং তিনটি ডিফারেন্ট ডেলিভারি মেকানিজম নিয়ে কাজ করছি।‌ আমাদের বর্তমান ট্রায়ালে তিনটি টার্গেট। একটি ডেলিভারি মেকানিজম নিয়ে। আমরা আরও ব্যাপকভাবে এনিমেলের ওপর ট্রায়াল করব। সেখানে আরও নয়টি ক্যান্ডিডেটের ট্রায়াল হবে। সার্বিক ফলাফল পর্যালোচনা করে যে ক্যান্ডিডেটের রেজাল্ট বেশি সুইটেবল হবে, আমরা সেটা নিয়েই হিউম্যান ট্রায়ালে যাব।

ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে আপনারা কতটুকু আত্মবিশ্বাসী?

ড. আসিফ মাহমুদ: আমি প্রথমেই বলেছি, আমরা একটি বায়ো ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। বায়ো ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি হিসেবে বায়োলজিকস প্রডাক্ট বিষয়ে কাজের অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। সেই অভিজ্ঞতা আমরা এখানে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছি। বায়োলজিকস প্রডাক্ট কোয়ালিটি অত্যন্ত কঠিনভাবে মেইনটেইন করতে হয়।

আমরা করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করতে গিয়েও সেই কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করেছি। টোটাল প্রসেসিং কোয়ালিফাইড করেই আমাদের ফাইনাল ফর্মুলেশন প্রোডাক্টটা তৈরি করতে পেরেছি। সে কারণে আমরা ইনিশিয়াল ট্রায়ালে কোনো ধরনের টক্সিসিটি পাইনি।

সুতরাং আমরা বলতে পারি এটা মানুষের শরীরেও কোনো ধরনের টক্সিসিটি তৈরি করবে না। এখন মূল কথা, মানুষের শরীরে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারবে কি-না, সেটা শরীরে প্রয়োগ করলেই জানা সম্ভব। আমাদের আত্মবিশ্বাসের জায়গাটা হচ্ছে, বিশ্ববিখ্যাত যত ভ্যাকসিন কোম্পানির নাম শুনবেন, যেমন আমেরিকার মর্ডানা, তারা একটিমাত্র ক্যান্ডিডেট এবং একটি ডেলিভারি সিস্টেম নিয়ে কাজ করছে।

কিংবা যুক্তরাজ্যের ড. সারাহ গিলবার্ট টিমের কথা শুনবেন, তারাও ভাইরাল ফ্যাক্টর ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে। তবে আমরা একইসঙ্গে ১২টি ক্যান্ডিডেট নিয়ে কাজ করছি। তাই আমাদের টিকার সফলতার হার নিয়ে আমরা গভীর আত্মবিশ্বাসী।

এই প্রক্রীয়ায় আপনারা কতজন গবেষক কাজ করছেন?

ড. আসিফ মাহমুদ: করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রজেক্টটা তৈরি করেছি বায়োটেক লিমিটেডের পক্ষ থেকে। এটা একটা বায়ো ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। আমরা বায়োলজিকস ড্রাগ তৈরি করি। কিন্ত গত ৮ মার্চ যখন দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়, তখন আমরা দৃষ্টি দিই কোভিড-১৯ রোগের দিকে।

আমরা একসঙ্গে তিনটা প্রজেক্ট নিয়ে কাজ শুরু করি। রিসার্স এবং ডেভেলপমেন্ট টিমের নেতৃতে আমি রয়েছি। আর আমাদের ওভারঅল সবগুলো প্রোজেক্টের প্ল্যানিং এবং তত্ত্বাবধান করেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও গবেষক দলের প্রধান ড. কাকন নাগ এবং প্রতিষ্ঠানের সিওও ড. নাজনীন সুলতানা।

এছাড়াও আমাদের কোম্পানির আরও অনেকেই বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেছেন। এবং করছেন।

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীরা করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন আবিষ্কারের বিষয়ে এখনও কাজই করে যাচ্ছেন, সেখানে আমাদের দেশের একটি প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

ড. আসিফ মাহমুদ: আমরা গতকাল প্রেস কনফারেন্সে সবকিছু বিস্তারিতভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। এরপরও কিছু সীমাবদ্ধতা এবং গোপনীয়তার কারণে আমরা সব ডাটা তুলে ধরতে পারিনি। আমাদের সব ডাটা এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সে কারণে আবার কেউ যেন মনে না করেন আমাদের ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা নেই।

আমরা বায়োলজিকস প্রোডাক্ট ২০১৬ সাল থেকে তৈরি করে আসছি। ছয়টা বায়োলজিকস প্রোডাক্টস ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল আমরা বিএমআরসিতে ইতোমধ্যে জমা দিয়েছি। তারা অনুমতি দিলে সিআরও দিয়ে আমরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করব। এই প্রক্রিয়াটির সঙ্গে আমরা ভালোভাবে পরিচিত। সুতরাং কেউ যদি আমাদের ছোট করে দেখে, তাহলে আমাদের কষ্ট পাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

ভ্যাকসিনটি সফল হলে সাধারণ মানুষের সক্ষমতার মধ্যে থাকবে কি-না?

ড. আসিফ মাহমুদ: দামের বিষয়টি নিয়ে আসলে এখনই এভাবে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে আমার যেটা মনে হয়, যেহেতু এই টিকা বাংলাদেশে তৈরি করতে পারব, তাই দাম বিদেশ থেকে আনা ওষুধের চেয়ে অবশ্যই অনেক কম হবে। তবে সার্বিক খরচটা নির্ভর করছে হিউম্যান ট্রায়ালের ওপরে।

কারণ আপনারা জানেন ফেস-১, ফেস-টু, ফেস-৩ সহ আরও বিভিন্ন ধাপে এই কাজগুলো সম্পন্ন করতে হয়। যেহেতু একটা থার্ডপার্টি দিয়ে সিআরও করাতে হয়, তাদের খরচ কেমন, সার্বিকভাবে সবকিছু বিবেচনা করে একটি ড্রাগের মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

তবে আমরা বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করেছি একটা উদ্দেশ্য নিয়েই, যেন বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিনটা দিতে পারি। সুতরাং সাধারণ মানুষের কেনার সক্ষমতার মধ্যে দাম থাকবে বলে আশা করছি।

করোনা ভাইরাসের ‘জেনোম সিকোয়েন্স’ ভিন্ন রকমের, আপনাদের ভ্যাকসিন কি সব জিনোম সিকোয়েন্সের ক্ষেত্রে সঠিককভাবে কাজ করবে?

ড. আসিফ মাহমুদ: আমরা কিন্তু পুরো ভাইরাসকে ভ্যাকসিনের টার্গেট হিসেবে গ্রহণ করিনি। টার্গেট হিসেবে আমরা করোনা ভাইরাসের একটি পোর্শন নিয়েছি। কোন পোর্শন নেব, সেটার জন্য আমাদের কিছু বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়েছে। আমরা যেটা করেছি, যখন টার্গেট সিলেক্ট করি, তখন ডাটাবেজে যতগুলো সিকোয়েন্স সাবমিটেড হয়েছিল, এরমধ্যে বাংলাদেশের সিকোয়েন্সও ছিল, সবগুলো সিকোয়েন্স এনালাইসিস করেই আমরা টার্গেট করি।

প্রতিনিয়ত যত নতুন নতুন সিকোয়েন্স আসছে, সেগুলোকেও আমরা কনসিডার করছি। আমরা যে টার্গেট সেট করেছি, সেটা কতটা অ্যাপ্রোপ্রিয়েট হলো, সেটাও দেখছি। ওই টার্গেটের মাঝখানে কোনো মিউটেশন হলো কি-না, সেটাও দেখছি। এসব আবার আমাদের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি তৈরিতে কোনো ধরনের বাধা দেবে কি-না, সেটাও খেয়াল রাখছি। এরপরেও ভ্যাকসিন প্রতিনিয়ত আপডেট করার সুযোগ রয়েছে।

ভ্যাকসিনটি বাজারে আসতে প্রায় কতদিন লাগতে পারে?

ড. আসিফ মাহমুদ: আমরা আপাতত ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় নিচ্ছি আমাদের রেগুলেটেড এনিমেল ট্রায়াল করতে। এরপর আমরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল বিএমআরসিতে (বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ) জমা দেব।

বিএমআরসির অথোরাইজেশন বোর্ড আমাদের অনুমতি দিলে সিআরও দিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাব। এরপর আমরা মার্কেট অথোরাইজেশনের জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কাছে যাব। এখানে কিছু বিষয় আছে, যেগুলো আমাদের হাতের নাগালে নেই। যেহেতু এই ভ্যাকসিনটা আমাদের দেশে প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছে, সেহেতু এটা সবার জন্যই নতুন একটি অভিজ্ঞতা।

এখানে পদে পদে যেসব প্রতিবন্ধকতা আসবে, সেগুলো আমরা যদি একে একে সমাধান করতে পারি, তাহলে আমি আশা করছি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই করোনা ভাইরাসের এই ভ্যাকসিন আমরা বাজারে আনতে পারব।

এই মুহুর্তে পড়া হচ্ছে

সীমান্ত এলাকা লাদাখ নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই গতকাল রবিবার রাতে আচমকা... আরও পড়ুন

কেঁপে উঠল হিমশীতল লাদাখ

আর্মেনিয়ার সঙ্গে সামরিক লড়াইয়ে আজারবাইজানকে সমর্থন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক। একইসঙ্গে বিতর্কিত এলাকা নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে... আরও পড়ুন

ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক

বিতর্কিত অংশ নাগোরনো-কারাবাখ এলাকা নিয়ে হঠাৎ করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান । বৈশ্বয়িক... আরও পড়ুন

নাগোরনো-কারাবাখ এলাকা

মার্কিন ধনকুবের ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে একবার এবং পরের বছর মাত্র... আরও পড়ুন

৭৫০ ডলার করে আয়কর

স্বামীর সঙ্গে সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে বেড়াতে এসে গণধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর... আরও পড়ুন

ছাত্রাবাসে বেড়াতে এসে

আফ্রিকার দেশ সুদান, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য আমেরিকার দেয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির... আরও পড়ুন

আমেরিকার দেয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

খ্রিষ্ট ধর্মের প্রয়াত প্রধান ধর্মগুরু পোপ দ্বিতীয় জন পলের রক্ত চুরি হয়ে গেছে বলে অভিযোগ... আরও পড়ুন

পোপ দ্বিতীয় জন পলের রক্ত চুরি

সিলেটের এম সি কলেজের ছাত্রাবাস এলাকায় স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে এসে গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব... আরও পড়ুন

গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যে আগামী নভেম্বর মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে। তবে... আরও পড়ুন

আগাম ভোট প্রদানের

পাঁচ বছর আগেও সৌদি আরব ছাড়া খুব কম মানুষই রাজপরিবারের প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নাম... আরও পড়ুন

  সাম্প্রতিক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

কেমন আছেন পুতিন কন্যা?

গেলো বছরে শেষ করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হয়েছিল চীনে। চলতি বছরে ছড়িয়ে গোটা বিশ্বে। সেই এক ভাইরাসের জেরে এখনও ধুকছে বিশ্ব। কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায় বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে একযোগে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব... আরও পড়ুন

কারণ এই এক মহামারীর

করোনা ভ্যাকসিন দৌড়ে জয়ী হবে কে, চীন না ব্রিটেন?

করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে গোটা বিশ্ব লক ডাউনে ছিল মাসের পর মাস। এখনও বহু দেশে লক ডাউন চালু আছে। কারণ এই এক মহামারীর বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি বিশ্বের মহারথিরা।দিনের পর দিন বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে বৈশ্বয়িক এই... আরও পড়ুন

সময়ের মধ্যে সফল হতে

চীনের করোনা ভ্যাকসিন হবে আমজনতার

চীনের তৈরী করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন হবে সর্বসাধারণের পণ্য। তবে এই ক্ষেত্রে চীনকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সফল হতে হবে। আজ রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটি বলেছেন চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ওয়াং জিগাং। সংবাদ সম্মেলনে ওয়াং জিগাং বলেন, মহামারীর এ সংকটকালীন... আরও পড়ুন