এরশাদ পতন কহন

রিডার:: বিবিসি

শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০২:৪৭:০৩ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রায় নয় বছরের কুক্ষিগত ‘ক্ষমতা’ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।

দিনটিকে আওয়ামী লীগ ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’, বিএনপি ‘গণতন্ত্র দিবস’ এবং জাতীয় পার্টি ‘সংবিধান সংরক্ষণ দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে। আবার কোন রাজনৈতিক দলগুলো এই দিনটিকে ‘স্বৈরাচার পতন দিবস’ হিসেবেও পালন করে থাকে।

গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে হলেও প্রায় তিনদশক ধরে রাজনীতিতে কিভাবে টিকে রয়েছেন জেনারেল এরশাদ, সেটাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়?

১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসের এক তারিখে ঢাকা সেনানিবাসে এক জরুরী বৈঠকে বসেন উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা।

 

 

সে বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল প্রেসিডেন্ট এইচএম এরশাদ যেভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর ভূমিকা কী হওয়া উচিৎ সে বিষয়ে আলোচনা করা।

ডিসেম্বর মাসে এই সমটায় এরশাদ বিরোধী আন্দোলন তখন তুঙ্গে। বিশেষ করে ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় চিকিৎসক নেতা ডা. শামসুল আলম মিলনকে গুলি করে হত্যা করা হওয়া পর থেকে আন্দোলনের আগুন বঙ্গভবনের দুয়ার অবদি ফুসছিল।

সেনানিবাসের ভেতরে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নিলেন যে দেশের চলমান সংকট একটি রাজনৈতিক বিষয় এবং সংকট সমাধানের জন্য প্রেসিডেন্টকে উদ্যোগ নিতে হবে।

উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আরো সিদ্ধান্ত নিলেন যে চলমান রাজনৈতিক সংকটে সেনাবাহিনীর কিছু করার নেই।

 

 

এমন অবস্থায় প্রেসিডেন্ট এরশাদ সেনা সদরকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে দেশে সামরিক আইন জারী করা হবে।

এরপর ডিসেম্বরের তিন তারিখে তখনকার সেনা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল নূর উদ্দিন প্রেসিডেন্ট এরশাদের সাথে দেখা করতে যান।সেনা কর্মকর্তারা চেয়েছিলেন, সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল নূর উদ্দিন যেন প্রেসিডেন্ট এরশাদকে পদত্যাগের জন্য সরাসরি বলেন।

কিন্তু সেনাপ্রধান প্রেসিডেন্ট এরশাদকে সরাসরি পদত্যাগের কথা না বললেও তিনি জানিয়ে দেন যে দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর অফিসাররা কোন দায়িত্ব নিতে রাজী হচ্ছে না।

তখন ঢাকা সেনানিবাসে বিগ্রেডিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন আমিন আহমেদ চৌধুরী, যিনি পরবর্তীতে মেজর জেনারেল হয়েছিলেন। তিনি ২০১৩ সালে মারা যান।

আশির দশকের মাঝামাঝি বন্যার্তদের মাঝে খাবার বন্টন নিয়ে এরশাদের নাটকীয় চটকদারি আচরন আজও অনেকে ভোলেননি

২০১০ সালে বিবিসির সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে জেনারেল চৌধুরী বলেন, ‘ উনি (সেনাপ্রধান) প্রেসিডেন্টকে বলেছিলেন আপনার উচিত হবে বিষয়টির দ্রুত রাজনৈতিক সমাধান করা। অথবা বিকল্প কোন ব্যবস্থা নেয়া।’

জেনারেল এরশাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সামরিক শাসন জারীর বিষয়ে সেনাবাহিনী একমত নয় বলে প্রেসিডেন্টকে পরিষ্কার জানিয়েছিলেন তখনকার সেনাপ্রধান।

প্রেসিডেন্টের সাথে সেনাপ্রধানের বৈঠক নিয়ে তখন দেশজুড়ে নানা গুঞ্জন। সেসব বৈঠক নিয়ে নানা অনুমান তৈরি হয়েছিল সে সময়।

একদিকে ক্যান্টনম্যান্টের ভেতরে নানা তৎপরতা অন্যদিকে রাস্তায় এরশাদ বিরোধী বিক্ষোভ। সব মিলিয়ে এক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল।

 

ডিসেম্বর মাসের চার তারিখে সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল আব্দুস সালাম প্রেসিডেন্ট এরশাদকে সরাসরি বলেন যে তার পদত্যাগ করা উচিত।

‘পদত্যাগের কথাটা জেনারেল সালামই প্রথম সরাসরি বলেন। অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। আর্মি অধৈর্য হয়ে যাচ্ছে,’ বলছিলেন আমিন আহমেদ চৌধুরী।

জরুরী অবস্থা এবং কারফিউর মতো কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমেওে যখন গণআন্দোলন দমানো যাচ্ছিল না তখন সেনাবাহিনীর দিক থেকে নেতিবাচক মনোভাব দেখলেন  প্রেসিডেন্ট এরশাদ।

এমন অবস্থায় ডিসেম্বরের চার তারিখ রাতেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন জেনারেল এরশাদ।

তখন এরশাদ সরকারের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন মওদুদ আহমেদ, যিনি বর্তমানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি জানালেন সেনাবাহিনীর মনোভাব বোঝার পরেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেননি প্রেসিডেন্ট এরশাদ।

 

 

সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদ ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিলেন।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন মোকাবেলার জন্য তিনি সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণাও দিয়েছিলেন। কিন্তু বিরোধী রাজনৈতিক জোটগুলো তথা বিএনপি ও আওয়ামী লীগ এরশাদের সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।

ডিসেম্বর মাসের চার তারিখে তখনকার ভাইস-প্রেসিডেন্ট মওদুদ আহমেদকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবার জন্য বাংলাদেশে টেলিভিশনে পাঠিয়েছিলেন এরশাদ।

উদ্দেশ্য ছিল, প্রেসিডেন্টের পরিকল্পিত নির্বাচন সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরা।

বিরোধী দলগুলো এ নির্বাচনের প্রস্তাব আগেই বর্জন করার পরেও এরশাদ চেয়েছিলেন ভাইস-প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরার মাধ্যমে জনগণকে আশ্বস্ত করা।

এরশাদের নির্দেশ মতো ভাইস-প্রেসিডেন্ট মওদুদ আহমদ সন্ধ্যার সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনে গিয়েছিলেন ভাষণ রেকর্ড করার জন্য। সে ভাষণ তিনি রেকর্ডও করেছিলেন।

 

 

সে ভাষণ রেকর্ড করার পর মওদুদ আহমদ যখন বাসায় ফিরে আসেন তখন তিনি জানতে পারেন প্রেসিডেন্ট পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

এর কয়েক ঘন্টা পর মধ্যরাতে মওদুদ আহমেদকে আবারো বাংলাদেশ টেলিভিশনে যেতে হয়েছিল প্রেসিডেন্ট এরশাদের পদত্যাগের ঘোষণা দেবার জন্য।

১৯৯০ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর রাতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মওদুদ আহমদ বিবিসিকে বলেন, ‘প্রথম ভাষণ রেকর্ড করে আমি যখন বাসায় ফিরে আসলাম, তখন আমার স্ত্রী বললেন, প্রেসিডেন্ট সাহেব ফোন করেছিলেন।’

— তখন আমি ওনাকে ফোন করলাম। উনি তখন বললেন, আমি এখনই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তখন আমি ওনার বাসায় গেলাম। তখন রাতে নিউজের পরে ওনার পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া হলো।

এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে বিভিন্ন সময় ছন্দপতন হয়েছিল। ১৯৮৭ সালে একটি মিছিলে পুলিশের গুলিতে নূর হোসেন নিহত হবার ঘটনা আন্দোলনে গতি এনেছিল।

আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নেতৃত্বে রাজনৈতিক জোট একই সাথে আন্দোলন কর্মসূচী নিয়ে এগিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীও মাঠে ছিল।

১৯৯০ সালের অক্টোবর মাস থেকে ছাত্র সংগঠনগুলো ‘সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের’ ব্যানারে আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল।

সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বিএনপি সমর্থিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের নেতা খায়রুল কবির খোকন।

রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

তিনি বলছিলেন, ২৭শে নভেম্বর চিকিৎসক নেতা ডা. শামসুল আলম মিলনকে হত্যার পর আন্দোলনের মোড় ঘুরে গিয়েছিল। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে দখল করার জন্য বহিরাগত মাস্তানরা পরিকল্পিতভাবে ডা. মিলনকে হত্যা করেছিল।

‘এটা ছিল আন্দোলনের টার্নিং পয়েন্ট’ ।

‘ডা. মিলন যখন রিক্সায় করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়’।

ডা. মিলনের সাথে একই রিক্সায় ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের তখনকার মহাসচিব ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।অভিযোগ রয়েছে, জেনারেল এরশাদ সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দখল চেষ্টার অংশ হিসেবে ডা. মিলনকে হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, ‘আমার রিক্সাটা যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় উপস্থিত হয়েছে তখন মিলন আরেকটি রিক্সায় করে আমাকে ক্রস করে সামনে চলে যাচ্ছিল।

তখন আমি মিলনকে বললাম তুমি ওই রিক্সা ছেড়ে আমার রিক্সায় আসো। এরপর মিলন আমার রিক্সায় এসে ডানদিকে বসলো। রিকশাওয়ালা ঠিকমতো একটা প্যাডেলও দিতে পারে নাই। মনে হলো সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের দিকে থেকে গুলি আসলো।

গুলিটা মিলনের বুকের পাশে লেগেছে। তখন মিলন বললো, জালাল ভাই কী হইছে দেখেন। একথা বলার সাথে সাথে সে আমার কোলে ঢলে পড়লো।’

ডা. মিলনকে হত্যার পর জেনারেল এরশাদ বিরোধী আন্দোলন আরো ফুসে উঠে। তখন জন আক্রোশের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে শুরু করেছিল সেনাবাহিনী।

 

এরশাদ পদত্যাগের পরের দিন সকালে পত্রিকা পড়ছে জনতা

 

একইসাথে জেনারেল এরশাদের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের প্রক্রিয়াও শুরু করেছিল সেনাবাহিনী।ডা. মিলন হত্যাকাণ্ডের পর আন্দোলন সামাল দিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট এরশাদ। এমনকি সেনা মোতায়েনের জন্য জেনারেল এরশাদ যথেষ্ট চাপ প্রয়োগও করেছিলেন।কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা ধোপে টেকেনি।

প্রয়াত মেজর জেনারেল আমিন আহমেদ চৌধুরীর বর্ণনা মতে, সেনাবাহিনী সৈনিকদের পাঠিয়ে রাস্তায় মোতায়েন করার পরিবর্তে রমনা পার্কে সীমাবদ্ধ করে রাখে। কমান্ডিং অফিসাররা সরকারের ‘অপকর্মের’ দায়িত্ব নিতে রাজী ছিলেন না।

জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা ছাড়লে কী হবে সে বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনকারী দলগুলো নিজেদের মধ্যে ঐকমতের ভিত্তিতে একটি ফর্মুলা ঠিক করে রেখেছিল।

সে ফর্মুলা মতে সাধারণ নির্বাচন পরিচালনার জন্য তিনমাস মেয়াদী একটি অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনের কথা ছিল। কিন্তু সে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান কে হবেন সেটি তখন নির্ধারিত ছিলনা ।

ড. কামাল হোসেন তখন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতিও ছিলেন।

তিনি জানালেন, জেনারেল এরশাদের পদত্যাগের ঘোষণা দেবার পর আন্দোলনকারী দলগুলো তখনকার প্রধান বিচারপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমদের বিষয়ে একমত হয়েছিল।

 

অস্থায়ী সরকার প্রধানের নাম আসার পর ৬ই ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির দপ্তরে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া হয়েছিল।

 

পদত্যাগের পর গ্রেফতার হন এরশাদ

 

‘ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পর্কে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘পাঁচ তারিখে বিরোধী দল থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসলো যে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিন সাহেব উপ-রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করে তারপর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির কাজ করবেন তিনি এবং তার অধীনেই একটি নির্দলীয় সরকার হবে।’

‘ছয় তারিখ বিকেল তিনটায় আমি রিজাইন করলাম। আমি রিজাইন করার পরে সাহাবুদ্দিন সাহেবকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট এপোয়েন্ট করলেন প্রেসিডেন্ট সাহেব’।

তারপর প্রেসিডেন্ট এরশাদ নিজে রিজাইন করলেন এবং সাহাবুদ্দিন সাহেব ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু করলেন।’

ডিসেম্বর মাসের চার তারিখে জেনারেল এরশাদ যখন পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন রাস্তায় মানুষের যে ঢল নেমেছিল সেটি ৬ই ডিসেম্বর বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদের কাছে জেনারেল এরশাদের ক্ষমতা হস্তান্তর পর্যন্ত বজায় ছিল।

 

 

এই মুহুর্তে পড়া হচ্ছে

করোনা ভাইরাসের অপেক্ষায় গোটা বিশ্ব। সবে মোটে ভ্যাকসিন বাজারে আনার ঘোষনা দিয়েছে রাশিয়া। চীনা বিজ্ঞানীরা... আরও পড়ুন

বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন

মুসলিম দেশগুলোর তুমুল বিরোধীতার মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের শান্তি চুক্তিতে গেছে ইসরায়েল।... আরও পড়ুন

আজ শুক্রবার যুবরাজ

তালেবানকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মোতাবেক শেষ ভাগের চারশ বন্দীকে মুক্তি দিতে শুরু করেছেন আফগান সরকার। এদের... আরও পড়ুন

প্রতিশ্রুতি মোতাবেক শেষ

কোকড়া চুলের তাহমিনা গোসল সেরে সকাল অফিসে বেরিয়ে যায়। সারা দিন কখনও ক্লিপ দিয়ে চুল... আরও পড়ুন

কখনও ঝুটি। আর যদি

যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গদের নাগরিকত্ব নিয়ে হর হামেশ আশঙ্কায় থাকেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেটা সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক... আরও পড়ুন

প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন

কর্মচারীদের মারধরে যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে।গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর... আরও পড়ুন

বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর

করোনা ভাইরাসে জর্জরিত গোটা মার্কিন মুল্লক। সেই থাবা এসে পড়েছে আইফোনের বাজারেও। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসে... আরও পড়ুন

সেপ্টেম্বর মাসে বাজারে

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএ) ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয়ার পর ফিলিস্তিনির ইসলামি প্রতিরোধ... আরও পড়ুন

ইসরাইলের সঙ্গে

একটি টেলি অনুষ্ঠানে কেবিন ক্রুদের হেয় এবং উপস্থাপনার সময় শাহরিয়ার নাজিম জয়ের আচরণকে 'অশালীন ও আপত্তিকর'... আরও পড়ুন

'অশালীন ও আপত্তিকর'

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতিমদের উদ্দেশে বলেছেন -- তোমরা যারা এতিম, তাদের ব্যথা আমরা বুঝি। আমিও... আরও পড়ুন

সকালে ঘুম থেকে উঠে

  সাম্প্রতিক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।