ইমরান কী কেবল নয়া পুতুল!

শনিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৮ ০৩:১৭:২৩ পূর্বাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  

রিডার::ফরিদ হামিদ

গত ২৫ জুলাই পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন হল।১১৮টি আসন পাওয়ায় ইমরান খানের তেহরিক-ই-ইনসাফের মনে হয়েছে, এর থেকে সুষ্ঠ নির্বাচন এ যাবত কালে হয়নি।

৫৯ আসন হাতে আসায় নাখোশ নওয়াজের পাকিস্তান মুসলিম লীগ।সেই অনুযায়ী ভুট্টো পরিবারের পাঞ্জাবী রাজনৈতিক দলের হালত তো আর খারাপ হওয়া কারচুপির অভিযোগ মুখে তালা দিয়ে বসে থাকা ছাড়া উপায় নেই।

তবে শেষ হাসিটা জলপাই শাসকরাই হাসলেন।তারা যা চেয়েছেন তাই হতে চলেছে। সেই অর্থে জয় জলপাই শাসনেরই। ইমরানে নেতৃত্বাধীন পিটিআই নির্বাচনে জয় পেলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। সেই অনুযায়ী তারা এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে না।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী চেয়েছিল একজন দুর্বল ও অনভিজ্ঞ রাজনৈতিক প্রধানমন্ত্রী, তাও মিলেছে।

ইমরানের জন্য প্রাথমিক পর্যায় কঠিনতম সিদ্ধান্ত হল — কোন দলটিকে সঙ্গি করে সরকার গঠন করবেন তিনি। তার নিজের তো নেই-ই, দলের ক্ষমতার অভিজ্ঞতার ছিঁটে ফোটা নেই।পরবর্তি বিষয়টি আসবে দেশটির সঙ্গে ভারত ও আফগানিস্তানের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে।এই একই বিষয় নিয়ে মূলত নওয়াজ শরীফকে গদি ত্যাগ করে কারাগারে বন্দী হয়ে থাকতে হচ্ছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ একটি ‘গঠনমূলক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের’ দিকে যাচ্ছিলেন, যা সেনাবাহিনীর মনঃপূত হয়নি। ফলে তাকে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে।

এবারও দেশটির পররাষ্ট্রনীতির এ বিষয়গুলো ‘দেখভাল’ করবে সেনাবাহিনী-ই। সেনা সমর্থন ছাড়া ভারতের সঙ্গে কোনো আলোচনায় দরজা খোলা যাবে না।একই সঙ্গে আফগানিস্তানের সঙ্গেও সমঝোতার ব্যাপারটিও ঝুলে গেল।

নওয়াজ শরীফ

তবে যে বিষয়টি এখনও গুরুত্বপূর্ণ তা হল — কারচুপির অভিযোগ থাকলেও প্রমাণ হল যে মুসলিম লীগ (নওয়াজ) এখনও দেশটিতে একটি শক্তি বহন করে।

অর্থ্যা জনমনে এখনও বিশ্বাস হারায়নি দলটি।

নওয়াজের শীর্ষরা যদি এখন ‘মজলিশ-ই শূরা’য় বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে,  ভালো কিছু করা সম্ভব।

যদিও নওয়াজ ও তাঁর কন্যা মারিয়মের সহসাই মুক্তি মিলবে এমন আশা করা যায়না।

মুসলিম লীগ (নওয়াজ) প্রধান শাহবাজ শরিফ জাতীয় রাজনীতিতে থাকবেন, নাকি পাঞ্জাবের রাজনীতিতে ফিরে যাবেন, তা স্পষ্ট নয়। বড় ভাই নওয়াজ শরিফের মতো ক্যারিশম্যাটিক নেতা তিনি নন। বিরোধী দলের নেতা হিসেবে যে ভূমিকা পালন করার কথা, তার কাছ থেকে তা প্রত্যাশা করা যায় না। ফলে তিনি হয়তো পাঞ্জাবে ফিরে যাবেন। বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ‘দায়িত্ব’ নিতে পারেন।

সেক্ষেত্রে মুসলিম লীগকে (নওয়াজ) মজলিশ-ই-শূরায় একজন ‘নেতা’ নির্বাচন করতে হবে, যিনি বিরোধী দলের নেতার ভূমিকা পালন করবেন।

যে কোন দেশের সেনাবাহিনী সেদেশের প্রতিরক্ষার দিকটা সামলায়। পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীই মূখ্য কারিগর ।

বেনজীর ভুট্টো কিংবা নওয়াজ শরীফের মতো নেতারা চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন এদের হুঙ্কারের কাছে।

একই সময় স্বাধীন হওয়া ভারত যখন একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছে, তখন পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি কখনই বিকশিত হয়নি।

পাকিস্তান ডিপ স্টেট

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ

এ অগণতান্ত্রিক শক্তিই ‘ডিপ স্টেট’ হিসেবে পরিচিত। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আমরা এর একটি নতুন রূপ দেখলাম মাত্র। ইতিহাসের দিকে যদি তাকানো যায়, তাহলে দেখা যাবে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হয়েছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

জিন্নাহ একাধারে ছিলেন গভর্নর জেনারেল, মুসলিম লীগ সভাপতি ও সর্বোপরি জাতির পিতা। গভর্নর জেনারেল হয়েও তিনি মন্ত্রিপরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করতেন।

 

পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন লিয়াকত আলী খান। স্বাধীনতার পর (১৯৪৭) পাকিস্তানে মন্ত্রিপরিষদ-শাসিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হলেও প্রধানমন্ত্রী বাহ্যত কোনো ক্ষমতা পরিচালনা করতে পারতেন না।

জিন্নাহর আমলেই সরকারি কর্মকর্তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতা হ্রাস করা হয়।

জিন্নাহর মৃত্যুর পর খাজা নাজিমুদ্দিন গভর্নর জেনারেল হন। ১৯৫১ সালে লিয়াকত আলী খানের মৃত্যুর পর খাজা নাজিমুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হন এবং গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন গোলাম মোহাম্মদ।

তখন থেকেই শুরু হয় ‘ষড়যন্ত্রকামী’ রাজনীতি।

গোলাম মোহাম্মদ ছিলেন সরকারি আমলা ও অত্যন্ত উচ্চাকাক্সক্ষী। ১৯৫৩ সালের এপ্রিলে তিনি খাজা নাজিমুদ্দিনকে পদচ্যুত করেন। তিনি গণপরিষদ ভেঙেও দিয়েছিলেন (১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট গঠিত)। বিষয়টি শেষ অব্দি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ালে আদালত গোলাম মোহাম্মদের সিদ্ধান্তকে বৈধ বলে রায় দিয়েছিলেন।

১৯৫৫ সালে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠনের পর ইসকান্দার মির্জা হন গভর্নর জেনারেল এবং চৌধুরী মোহাম্মদ আলী হন প্রধানমন্ত্রী। এই ইসকান্দার মির্জাই পাকিস্তানে ‘অগণতান্ত্রিক পাপের জনক’। তিনি মূলত সামরিক শাসন আনেন।

পরবর্তিতে আইয়ুব খানের হাতেই তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।

এর পরের গল্পটা তো সেনা শাসকদের ইতিহাস। আইয়ুব খান ‘মৌলিক গণতন্ত্রের’ জন্ম দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৬৮ সালে গণঅভ্যুত্থানে তিনি ক্ষমতা ছেড়ে দেন আরেক জেনারেল ইয়াহিয়ার কাছে (১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ)।

ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানে ১৯৭০ সালে নির্বাচন দিয়েছিলেন বটে। কিন্তু নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে না দেয়ায় এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা শুরু করায় পাকিস্তান ভেঙে যায়।

জুলফিকার আলী ভুট্টো

মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ‘বাংলাদেশ’ আত্মপ্রকাশ করে।

বাংলাদেশে গণহত্যায় পাক সেনাবাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো। তাকেও সেনাবাহিনী ফাঁসিতে চড়িয়েছিল।

যে জিয়াউল হককে ভুট্টো সেনাপ্রধান করেছিলেন, সেই জিয়াউল হকের ক্ষমতার লোভ তাঁকে রাষ্ট্রক্ষমতায় রেখেছিল ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত।

এই জিয়াউল হকের সময়েই ধনকুবের ব্যবসায়ী নওয়াজ শরিফের আত্মপ্রকাশ ঘটে ‘রাজনীতিবিদ’ হিসেবে।

১৯৮৮ সালে বিমান দুর্ঘটনায় জিয়াউল হকের মৃত্যুর পর পাকিস্তানে কিছুদিনের জন্য হলেও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চালু হয়েছিল (১৯৮৮, ১৯৯০, ১৯৯৩, ২০১৩ সালের নির্বাচন)। কিন্তু অসাংবিধানিক শক্তির কাছে গণতন্ত্র বারবার পরাজিত হয়েছে।

বেনজির ভুট্টো

বেনজির ভুট্টো কিংবা নওয়াজ শরিফ তিন তিনবার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হলেও তারা কেউই পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারেননি।

তবে ২০০৮ ও ২০১৩ সালের সরকার তাদের ৫ বছরের ম্যান্ডেট পূরণ করতে পেরেছিল।

সেনাশাসক জেনারেল জিয়া নওয়াজ শরিফকে ‘গদি তৈরি’ করলেও সেই সেনাবাহিনীর কর্পোরেট স্বার্থের কারণেই ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর সেনাবাহিনী কর্তৃক তিনি ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন।

একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে ২০১৮ সালে। এবার ক্ষমতাচ্যুত হন নওয়াজ বিচার বিভাগ দ্বারা।

নওয়াজ শরিফ সেনাবাহিনীর কর্পোরেট স্বার্থে আঘাত করেছিলেন। তাই তাঁকে বিদায় নিতে হল।

 

এটা ইমরান খানের জন্যও একটি ভবিষ্যৎ শিক্ষা বটে। সেনাবাহিনী ইমরান খানকে ব্যবহার করেছে। তাকে ক্ষমতায় বসাতে যাচ্ছে। একসময় ‘প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে’ ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতেও দ্বিধাবোধ করবে না সেনাবাহিনী।

নির্বাচনের যে ফলাফল ঘোষিত হয়েছে, তাতে দেখা যায় পিটিআই ১১৮, মুসলিম লীগ (নওয়াজ) ৫৯, পিপিপি ৪০, এমএমএ (ইসলামপন্থী অ্যালায়েন্স) ১১, বিএনপি-এম ৫, এমকিউএমপি ৫, জিডিএ ৩ সিট এবং স্বতন্ত্র ১৯ সিট পেয়েছে।

পিটিআই, মুসলিম লীগ, পিপিপির শীর্ষ নেতারা একাধিক আসনে বিজয়ী হয়েছেন। এ আসনগুলো তাদের ছেড়ে দিতে হবে। এর ফলে মুসলিম লীগ ও পিপিপিকে বাদ দিয়েও (যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন ইমরান এবং কোনো ধরনের জোট করবেন না বলে জানিয়েছেন) পিটিআইয়ের পক্ষে সরকার গঠন করা সম্ভব।

 

ইমরান কী পারবেন ক্ষমতা চাল ধরে রাখতে?

 

পাকিস্তানের সংবিধানের ৯১(২) ধারা অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ১৫ আগস্টের আগেই সংসদ অধিবেশন ডাকতে বাধ্য। এ ক্ষেত্রে নতুন সরকার ১৫ আগস্টের আগেই শপথ নেবে, যাতে করে তারা স্বাধীনতা দিবস পালন করতে পারে।

সংসদের প্রথম অধিবেশনেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন।

ইমরান খান জানিয়েছেন, তিনি ‘নয়া পাকিস্তান’ গড়তে চান। কিন্তু এই ‘নয়া পাকিস্তান’ কেমন হবে, তার ব্যাখ্যা তিনি দেননি। তবে দায়িত্ব নেয়ার আগে ‘জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে’ তিনি কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন। যেমন তিনি বলেছেন, তিনি দরিদ্র ও এতিমদের জন্য দাতব্যমূলক ব্যবস্থা চালু করবেন। এটা নিঃসন্দেহে একটা ভালো দিক। তিনি ‘মদিনা সনদ’ অনুযায়ী সরকার চালাবেন এমন কথাও বলেছেন।

৬২২ খ্রিস্টাব্দের ২৪ সেপ্টেম্বর মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনা শরিফে এসেছিলেন। ভ্রাতৃত্ববোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ৪৭ ধারা সংবলিত একটি সনদ প্রণয়ন করেছিলেন, যা মদিনা সনদ নামে পরিচিত। এটা ছিল প্রথম ইসলামী রাষ্ট্রের ভিত্তি।

এখন একুশ শতকে এসে ইমরান খান একধরনের ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চান। এটা কতটুকু বাস্তবভিত্তিক তা নিয়ে প্রশ্ন আছে । কারণ তিনি নিজে কতটুকু ইসলামী জীবনাচার মেনে চলেন, তা নিয়েও সন্দেহ আছে অনেকের।

বহুগামিতা, একাধিক বিয়ে, পাশ্চাত্যের প্লে-বয় জীবনযাপন, একজন ইহুদি নারীকে বিয়ে ও ডিভোর্স ইত্যাদি নানা বিতর্কিত ইস্যু রয়েছে তাঁর জীবনে। তিনি একজন ধর্মীয় গুরুকেও বিয়ে করে পীর সম্প্রদায়ের আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টা করেছেন।

তার আগে ব্রিটিশ সাংবাদিক রেহমান খানকে বিয়ে এবং পরবর্তিতে সম্পর্কচ্ছেদের মতো ঘটনাও তার তালিকায় আছে।

 

কিন্তু পাকিস্তানের আমজনতা তাকে গ্রহণ করে নেবে, এমন নিশ্চয়তা খুঁজে পাওয়া দায়। সেনাবাহিনী তাকে ‘ইসলামী লেবাসে’ পরিচিত করাতে চাচ্ছে। নারী পীরকে ‘বিয়ে’ করানো সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থারই কৌশল বলে অভিযোগ আছে।

যেহেতু দেশটির সাধারণ মানুষ ধর্মভীরু এবং পাকিস্তানের রাজনীতিতে ধর্ম একটি অস্ত্র, সেজন্যই সেনাবাহিনী চেয়েছে ইমরান খানকে ‘ইসলামী আদলে’ তৈরি করতে।

সুতরাং ইমরান খানের মুখ থেকে যে ‘মদিনা সনদের’ কথা বের হবে, এটাই স্বাভাবিক। তাঁর ওই বক্তব্যে একটি ‘শান্ত আফগানিস্তান’, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে কাশ্মীরই প্রধান আলোচ্য বিষয়, চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের মাধ্যমে বৈদেশিক বিনিয়োগ আনা ইত্যাদি প্রসঙ্গও এসেছে।

খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে এসব মূলত জলপাই শাসকদের বুলি। সেনাবাহিনীই চায় আফগানিস্তানে পাকিস্তান একটি বড় ভূমিকা পালন করুক।

ভারত আফগানিস্তানে বড় ভূমিকা পালন করছে, এটা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর না-পাছন্দ । আর এ কারণেই আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

এই মুহুর্তে পড়া হচ্ছে

চীনে মুসলিম অধ্যুষিত প্রদেশ শিনজিয়াংয়ে হাজার হাজার মসজিদ একেবারে গুঁড়িয়ে বা ক্ষতিগ্রস্থ করে দেওয়া হয়েছে।গতকাল... আরও পড়ুন

হাজার হাজার মসজিদ একেবারে গুঁড়িয়ে

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় পুলিশের মাদকাসক্ত ২৬ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন... আরও পড়ুন

২৬ সদস্যকে চাকরিচ্যুত

ধিরুভাই-কোকিলবেন আম্বানি পরিবারের দ্বিতীয় সন্তান মুকেশ আম্বানি। বছরে কয়েক আগেও বিশ্বের ধনকুবের হিসেবেই সবাই তাঁকে... আরও পড়ুন

ক’দিন আগেই বিয়ে হয়েছিল দম্পত্তির। ছুটির দিনে বেড়াতে গিয়েছিলেন সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাস এলাকায়।আর তাতেই... আরও পড়ুন

দুটি কৌশলগত বি-৫২ বোমারু মার্কিন বিমানকে বাল্টিক সাগরের আকাশসীমানায় প্রতিহত করেছে রাশিয়ার একটি যুদ্ধবিমান। বোমারু... আরও পড়ুন

বোমারু বিমান

মাদককান্ডে জেরার মুখোমুখি হতে ভারতের মুম্বাইয়ে নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) দফতরে গিয়েছেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন।... আরও পড়ুন

অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন।

চীনের মদতেই জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গিদের হাতে অস্ত্র সরবরাহ করছে পাকিস্তান বলে অভিযোগ এনেছে ভারত। লাদাখ... আরও পড়ুন

কাশ্মীরের জঙ্গিদের হাতে

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া একে অপরের নির্বাচনে সাইবার হস্তক্ষেপ করবে না এই মর্মে একখানা চুক্তি করে... আরও পড়ুন

সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রবাসে ছাত্রলীগের দখলে থাকা কক্ষ থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।আজ... আরও পড়ুন

ছাত্রলীগের দখলে থাকা

স্বামীর সঙ্গে সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রবাসে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী।গতকাল শুক্রবার রাতে... আরও পড়ুন

গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন

  সাম্প্রতিক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।