অজন্তা ও ইলোরা : প্রাচীন ভারতের নান্দনিক ইতিকথা

রিডার:: নীতি চাকমা

বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৯ ০৮:০২:৪৮ অপরাহ্ন
  •  
  •  
  •  
  •  
সমৃদ্ধির প্রায় একমাত্র

ছবি:এফ ইউ নেছা

প্রায় দু’হাজারেরও বেশি আগে নির্মিত অজন্তা গুহাসমূহ কেবল অনন্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নয় এগুলি ভারতের প্রাচীন সমৃদ্ধির প্রায় একমাত্র সংরক্ষিত নিদর্শন, যা শুধু অনিন্দ্য ও নিখুঁত নয়, বরং দেখতেও অসাধারণ। এই গুহায় আঁকা ছবিগুলো এখনও পর্যন্ত টিকে থাকা প্রাচীন ভারতীয় শিল্পকলার সবচেয়ে শৈল্পিক নমুনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

অজন্তা গুহাসমূহ ভারতের মহারাষ্ট্রের আওরঙ্গবাদ জেলার ফার্দপুরের জলগাঁও-আওরঙ্গবাদ মহাসড়কের কাছে আজিন্তা বা অজন্তা গ্রামের প্রান্তে অবস্থিত।

আনুমানিক খ্রীস্টপূর্ব ২য় শতক থেকে ৭ম শতকের মধ্যে অজন্তার ওয়াগোরা (waghora) নদীর ২৫০ ফিট উঁচু গভীর খাড়া গিরিখাতের পাথর খোদাই করে তৈরি করা হয়েছিল।

১৮১৯ সালে মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির বৃটিশ সেনা অফিসার জন স্মিথ জঙ্গলে বাঘ শিকার করতে গিয়ে অজন্তা গুহার সন্ধান পান। এর বহুবছর পর ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো জায়গাটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় স্থান দেয়।

অজন্তায় রয়েছে ৩০ টি গুহা যেগুলো প্রধানত তীর্থস্থান ও বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। মৌর্য আমলে তৈরিকৃত এ গুহাগুলোর মধ্যে পাঁচটি চৈত্যগৃহ এবং বাকিগুলো বৌদ্ধবিহার হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

বৌদ্ধধর্মে নির্জনতাকে বেশ প্রাধান্য দেওয়া হয়। বর্ষাকালে অজন্তার শান্ত সবুজ নিরিবিলি পরিবেশে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ধ্যানে মগ্ন থাকতেন এবং আলোচনা করতেন বিভিন্ন ধর্মীয় বিষয়ে। গুহার পরিবেশটাই ছিল ধ্যান-বান্ধব।স্রোতধারা বয়ে যাবার চিহ্ন থেকে বোঝা যায়, পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝর্ণার সাথে সংযুক্ত ছিল প্রতিটি গুহা।

গুহার খাঁজে আঁকা রয়েছে নিঁখুত চিত্রকর্ম। এতে তুলে ধরা হয়েছে বোধিসত্ত্বের (গৌতম বুদ্ধের পুর্বজন্ম) জীবনকাহিনি। ইউনেস্কোর গবেষকরা মনে করেন বৌদ্ধ ধর্মকেন্দ্রিক এই চিত্রকর্মগুলো পরবর্তীতে ভারতীয় চিত্রকলাকে অনুপ্রাণিত করেছিল।

আওরঙ্গবাদ শহর থেকে ১০৪ কি.মি. দূরে এবং মুম্বাই শহর থেকে ৩৫০ কি. মি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত অজন্তা গুহাসমূহ প্রাচীন ভারতীয় শিল্পের এক অনিন্দ্য ও নান্দনিক উপস্থাপনা।

ইলোরা

অজন্তা গুহাসমূহ থেকে ঠিক ১০০ কিলোমিটার দূরেই অবস্থিত প্রাচীন ভারতের আরেক অনন্য সৌন্দর্যময় প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান-ইলোরা গুহা।

ইলোরাকে ভেলোরা বা এলুরা বলা যায়। এটি প্রাচীন এলপুরা শব্দের বিকৃত রূপ।

ভারতের মহারাষ্ট্রের অওরঙ্গবাদ শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইলোরা গুহাসমূহ তৈরি করা হয় ভক্তক, ত্রৈকুটক, কালাচুরি, চালুক্য, রাষ্ট্রকূট ও যাদব রাজবংশের সময়ে।

ইলোরাতে রয়েছে প্রচুর স্মৃতিসংবলিত ১০০ টি গুহার সারি। চরনন্দ্রী পাহাড় কেটে তৈরি করা এই ১০০ টি গুহার মধ্যে ৩৪ টি গুহা সবচেয়ে বিখ্যাত এদের স্থাপনার জন্য। এর মধ্যে ১২ টি হলো বৌদ্ধ গুহা (দক্ষিণে) যেগুলো নির্মিত হয়েছিল খ্রীস্টপূর্ব ২০০ অব্দি থেকে ৬০০ খ্রীস্টাব্দ সময়ের মধ্যে, ১৭ টি হিন্দু মন্দির (কেন্দ্রে) যেগুলো  নির্মিত হয়েছিল ৫০০ খ্রীস্টাব্দ থেকে ৭০০ খ্রীস্টাব্দ সময়ে মধ্যে এবং ৫ টি জৈন মন্দির (উত্তরে) যেগুলো নির্মিত হয়েছিল ৮০০ খ্রীস্টাব্দ থেকে ১০০০ খ্রীস্টাব্দ সময়ের মধ্যে।

পরপর তিন ধর্মের গুহা প্রাচীন ভারতের অসাম্প্রদায়িকতাকে নির্দেশ করে।

বৌদ্ধ গুহাসমূহ

ইলোরার বৌদ্ধ গুহাসমূহের মধ্যে বেশিরভাগ বিহার ও মঠের সমন্বয়ে গঠিত। এর মধ্যে পাহাড়ের গায়ে খোদাইকৃত বহুতল ভবন (বাসস্থান, শোবার ঘর, রান্নাঘর এবং অন্যান্য কক্ষ) বিদ্যমান।

কিছু গুহাতে পাহাড়ের গায়ে খোদাইকৃত গৌতম বুদ্ধ ও তাঁর বোধিসত্ত্ব জীবনের নানা বর্ণনা ও নানা বৌদ্ধ পন্ডিতদের প্রতিমাসংবলিত মন্দির বিদ্যমান।

সবচেয়ে বিখ্যাত বৌদ্ধগুহা হলো ১০ নম্বর গুহা। এটি হলো চন্দরশালা অথবা ভিশভাক্তাম গুহা যা ‘কারপেন্টারস কেভ’ নামে সর্বাধিক পরিচিত।  এই গুহাটিতে অনেকটা গির্জার মত একটি বিশাল হল বিদ্যমান যেটির নাম চৈত্য।

এটির ছাদ এমনভাবে খোদাইকৃত যে দেখতে অনেকটা কাঠের বিমের মতো। এই গুহার ঠিক মাঝখানে একটি ১৫ ফুট লম্বা আসনকৃত বৌদ্ধ মূর্তি রয়েছে।

অন্যান্য বৌদ্ধগুহার মধ্যে এক থেকে নয় নাম্বার হলো মঠ, ১১ নাম্বার গুহা দো-তাল এবং ১২ নাম্বার গুহা তিন-তাল। ১০ নাম্বার গুহা আটটি ক্ষুদ্র কক্ষবিশিষ্ট একটি বিহার যার চারটি ক্ষুদ্র  কক্ষ সামনের দেওয়ালের সাথে লাগানো বাকি চারটি ক্ষুদ্র কক্ষ পেছনের দেওয়ালের সাথে লাগানো।

এই গুহার সামনে একটি ক্ষুদ্র কক্ষসহ খোদাইকৃত স্তম্ভ আছে। সম্ভবত এই গুহাটি অন্যান্য বিহারের সরবরাহকৃত খাদ্যভান্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

বৌদ্ধগুহাসমূহের মধ্যে বিশ্বকর্মা একমাত্র চৈত্যগৃহ। এই গুহা স্থানীয়ভাবে বিশ্বকর্মা বা সুতার কা ঝপদা (Sutar ka jhopda/ carpenter’s hut) নামে ডাকা হয়।

এই গুহার নকশা দেখতে অনেকটা অজন্তা গুহাসমূহের মন্দিরের ১৯ ও ২৬ নাম্বার গুহার মত। ৭০০ খ্রিষ্টাব্দতে এই গুহা স্থাপিত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। চৈত্যগুহায় একসময় একটি বড়ো দেয়াল ছিল, যা বর্তমানে নেই। এই গুহার প্রধান হল একটি চক্রাকারে তৈরী এবং এর চারপাশে অষ্টভুজাকৃতির ২৮ স্তম্ভ বিদ্যমান।

হিন্দু গুহাসমূহ

হিন্দুগুহাসমূহ স্থাপিত হয় ৬ষ্ঠ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতাব্দীর শেষ সময়ের মধ্যে। প্রাথমিক গুহাসমূহ (১৭-২৯ নাম্বার গুহা) তৈরী হয় কালাচুরির শাসনামলে। সর্বপ্রথম নির্মাণ করা হয় ২৮, ২৭ ও ১৯ নাম্বার গুহা। এই গুহাগুলো নির্মাণ করা হয় প্রাথমিক পর্যায়ে নির্মিত ২৯ ও ২১ নাম্বার গুহার নির্মাণকৌশল অবলম্বন করে।

১৪, ১৫ ও ১৬ নাম্বার গুহা তৈরী হয় রাষ্ট্রকূটের শাসনামলে। সকল স্থাপনা বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি ও সুচারু দক্ষতার পরিচায়ক। কিছু কিছু স্থাপনা এতটাই জটিল যে এর নির্মাণকাজ সমাপ্ত করতে কয়েক বংশপরম্পরা পরিকল্পনা ও পরিচালনার প্রয়োজন হয়েছিল।

কৈলাশনাথ

১৬ নাম্বার গুহা, যা কৈলাশ অথবা কৈলাশনাথ নামেও পরিচিত, যা অপ্রতিদ্বন্দ্বীভাবে ইলোরার কেন্দ্র। এর ডিজাইনের জন্য একে কৈলাশ পর্বত নামে ডাকা হয়, যা শিবের বাসস্থান, দেখতে অনেকটা বহুতল মন্দিরের মত কিন্তু এটি একটিমাত্র পাথরকে কেটে তৈরী করা হয়েছে। এর আয়তন এথেন্সের পার্থেনন এর দ্বিগুণ।

প্রধানত এই মন্দিরটি সাদা আস্তর-দেওয়া যাতে এর সাদৃশ্য কৈলাশ পর্বতের সাথে বজায় থাকে। এর আশেপাশের এলাকায় তিনটি স্থাপনা দেখা যায়। সকল শিবমন্দিরের ঐতিহ্য অনুসারে প্রধান মন্দিরের সম্মুখভাগে পবিত্র ষাঁড় “নন্দী”–র ছবি আছে।

প্রধান মন্দির নন্দী মন্ডপ-এ লিঙাম অবস্থিত। নন্দী মন্ডপ ১৬ টি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আছে যার উচ্চতা ২৯.৩ মি.। নন্দী মন্ডপে একটি বিশাল আকৃতির পাথরের তৈরী হাতি বিদ্যমান। একটি জীবন্ত পাথরের সেতু দ্বারা নন্দী মন্ডপ ও শিব মন্দিরের যোগাযোগ সাধিত হয়েছে। এই স্থাপনাটি তৎকালীন শিল্পীদের প্রতিভার সাক্ষর বহন করে। এই মন্দির তৈরী হয় ২,০০,০০০ টন পাথর কেটে, যার জন্য সময় লেগেছিল ১০০ বছর।

দশাবতার

দশাবতার (১৫ না. গুহা) প্রাথমিকভাবে ছিল বৌদ্ধমন্দির। এই মন্দিরটির গঠনগত দিক থেকে ১১ ও ১২ নাম্বার গুহার সাথে সাদৃশ্য আছে। দেয়ালের খিলান থেকে মেঝের উপরের অংশের একটি বিশাল স্থাপত্যকলা বিদ্যমান যা বিভিন্ন দৃশ্য দিয়ে সাজানো।

এই দৃশ্যের মধ্যে বিষ্ণুর দশাবতার-চেহারা অন্তর্ভুক্ত আছে।

জৈনগুহা

ইলোরাতে মোট পাঁচটি জৈনগুহা আছে যা খ্রিষ্টীয় নবম থকে দশম শতাব্দীর মধ্যে স্থাপিত। এর সবগুলো গুহা ডিঘাম্বরার সাথে সম্পর্কযুক্ত। জৈনগুহাগুলো জৈন দার্শনিক ও ঐতিহ্যের ধারক।

এই গুহাগুলো কঠোর তপস্যার অনুভূতির প্রতিফলন ঘটায়। কিন্তু এসব এখন অন্যান্য গুহার তুলনায় তেমন বৃহৎ নয়। কিন্তু এসব গুহা বিভিন্ন শিল্পকলার পরিচয় বহন করে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য জৈনমন্দিরগুলো হল, ছো্টো কৈলাশ (৩০ নাম্বার গুহা), ইন্দ্রসভা (৩২ নাম্বার গুহা) এবং জগন্নাথসভা (৩৩ নাম্বার গুহা)। ৩১ নাম্বার গুহাও জৈনগুহা কিন্তু এটি একটি অসমাপ্ত চার স্তম্ভবিশিষ্ট হল এবং একটি মন্দিরের সমন্বয়ে গঠিত।

৩৪ নাম্বার গুহাটি আয়তনে ছোটো যা ৩৩ নাম্বার গুহার বামদিকে অবস্থিত। অন্যান্য ভক্তিমূলক খোদাইচিহ্ন, একটি স্থান যার নাম সামভতস্বর্ণ যা ইলোরায় বিদ্যমান। সামভতস্বর্ণ জৈন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি বিশেষ স্থান।

ইন্দ্রসভা

ইন্দ্রসভা (৩২ নাম্বার গুহা) দ্বীতলবিশিষ্ট গুহা যাতে একটিমাত্র পাথর কেটে তৈরী মন্দির বিদ্যমান। এর ছাদের দেয়ালে অপূর্ব সুন্দর করে কাটা পদ্মফুল বিদ্যমান।

ইলোরা ওয়েস্টার্ন ঘাটের সমতল ভূমি দখল করে গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন প্রাচীন আগ্নেয়গিরি কর্মকান্ডের ফলে এই এলাকায় বিভিন্ন স্তরে গঠিত, যা ডেকান ফাঁদ (Deccan Traps) নামে পরিচিত। ক্রেটাচিয়াসের সময় একটি আগ্নেয়গিরি ইলোরা দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে গঠিত হয়েছিল।

ইলোরায় খ্রিষ্টাব্দ ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীর অনেক খোদাইচিহ্ন বিদ্যমান। তাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল রাষ্ট্রকুট দান্তিদুর্গা (৭৫৩-৭৫৭ খ্রিস্টাব্দ) যা ১৫ নাম্বার গুহার মন্ডপের পেছনের দেয়ালে খোদাইকৃত।

এটি খোদাই করা হয় রাষ্ট্রকুটের বিজয়ানন্দে। কৈলাশ মন্দিরের খোদাইচিহ্নগুলো খ্রিষ্টাব্দ ৯-১৫ শতাব্দীর মধ্যে অঙ্কিত। জৈনগুহার জগন্নাথসভায় তিনটি খোদাইচিহ্ন আছে।

পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত পার্সভান্ত মন্দিরে একাদশ শতাব্দীর একটি খোদাইচিহ্ন আছে। মহা কৈলাশ (১৬ নাম্বার গুহা) কৃষ্ণা (খ্রিষ্টপূর্ব ৭৫৭-৮৭ খ্রিষ্টাব্দ) দিগ্বিবিজয়ী এবং দান্তিদুর্গার চাচা তার সম্মানার্থে তৈরী হয়।

কার্কা (খ্রিস্টপূর্ব ৮১২-১৩ খ্রিষ্টাব্দ) এর অনুদানে ইলোরার একটি পাহাড়ে মহান স্মৃতিচিহ্ন খোদাইকৃত একটি তামার থালা স্থাপিত হয়।অজন্তা গুহার ন্যায়, ইলোরা গুহাসমূহ কখনো ধ্বংসের সম্মুখীন হয়নি। বিভিন্ন লেখা ও ভ্রমণকাহিনি থেকে পাওয়া যায় যে, ইলোরায় নিয়মিত পরিদর্শন করা হত।

তার মধ্যে প্রথমে লেখা পাওয়া যায় আরব ভূতত্ত্ববিদ আল-মাসা’উদি, যা লেখা হয় খ্রিষ্টাব্দ দশম শতাব্দীতে। ১৩৫২ সালে সুলতান হাসাব বাহ্মী, যিনি এই স্থানে কিছুকাল অবস্থান করেন ও পরিদর্শন করেন।

হাজার বছর আগে এত নিঁখুত শিল্পকর্ম সত্যি এখনও  মনে প্রশ্ন জাগায়, কি করে এটি সভব হয়েছিল! হাজার বছরের আগেকার তীর্থস্থান আর শিক্ষাকেন্দ্র ইলোরা এবং অজন্তার গুহা আজও দর্শনার্থীদের কাছে স্বর্গীয় সৌন্দর্যময় এক অনিন্দ্য নিদর্শন।

এই মুহুর্তে পড়া হচ্ছে

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা জিনিসটা কী এটা বুঝতে আমার বেশ কয়েক বছর নষ্ট হয়েছিলো। বরাবরই আমি খারাপ... আরও পড়ুন

নিয়মিত ফেল করতাম।

নয়া সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘটে বাস, ট্রাক কভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।... আরও পড়ুন

শ্রমিকদের স্বেচ্ছা কর্মবিরতিতে

নতুন সড়ক আইন জনস্বার্থে করা হয়েছে। এটি শাস্তির জন্য নয়, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এই আইন... আরও পড়ুন

নতুন সড়ক আইন

মিয়ানমার সেনাবাহিনীকর্তৃক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর অমানবিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করেছি গাম্বিয়া। সেই... আরও পড়ুন

মিয়ানমার সেনাবাহিনীকর্তৃক

নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্য পেঁয়াজের মতো লবণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে গুজব ছড়ানো ও বেশি দামে লবণ... আরও পড়ুন

নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্য

এক ছবি পার হতে না হতেই আরেক সিনেমা নিয়ে দর্শক মাতান বিটাউনের জনপ্রিয় সুপারস্টার অক্ষয়... আরও পড়ুন

এক ছবি

গত মাসের শুরু থেকেই পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে পেঁয়াজের বাজারে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা... আরও পড়ুন

গত মাসের

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা... আরও পড়ুন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের নেতা নয় বরং অন্যান্য দেশের মতোই একটি দেশ।... আরও পড়ুন

ইরানের প্রেসিডেন্ট

আদালত অস্ট্রিয়া প্রবাসী সিফাত উল্লাহ সেফুদার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন। ফেইসবুক লাইভে পবিত্র কোরআন অবমাননার... আরও পড়ুন

আদালত অস্ট্রিয়া

  সাম্প্রতিক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।